নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘সেফ ফুড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জন করেছেন নওগাঁর সাপাহার উপজেলার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মো. সোহেল রানা। তার এই অর্জনে সাপাহারসহ পুরো জেলায় কৃষি উদ্যোক্তাদের মাঝে আনন্দ ও গর্বের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) রাজধানী ঢাকায় বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড (বিএসএসএফ) আয়োজিত ৮ম জাতীয় বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে সোহেল রানার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উদ্যোক্তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন।
‘টেকসই ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই সম্মেলনে দেশের বিশিষ্ট গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন।
বিএসএসএফ-এর সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. খালেদ হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। এ ছাড়াও বিপিআইসিসি’র সভাপতি মসিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনের তিনটি বৈজ্ঞানিক সেশনে ১৫টি গবেষণা প্রবন্ধ এবং বিশেষ সেশনে আরও ৪টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। প্রদর্শিত হয় প্রায় ৭০টি গবেষণা পোস্টার। এই আয়োজনের সহ-আয়োজক হিসেবে ছিল ওয়ার্ল্ড ফিশ, হেইফার ইন্টারন্যাশনাল ও গেইনের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।
সোহেল রানার এই অর্জনের খবর ছড়িয়ে পড়লে সাপাহারের কৃষক সমাজ ও স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা জানান, সোহেল রানার এই স্বীকৃতি নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে নওগাঁ জেলাকে দেশের সামনে নতুনভাবে পরিচিত করবে এবং তরুণদের এই পেশায় আসতে অনুপ্রাণিত করবে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘সেফ ফুড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জন করেছেন নওগাঁর সাপাহার উপজেলার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মো. সোহেল রানা। তার এই অর্জনে সাপাহারসহ পুরো জেলায় কৃষি উদ্যোক্তাদের মাঝে আনন্দ ও গর্বের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) রাজধানী ঢাকায় বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড (বিএসএসএফ) আয়োজিত ৮ম জাতীয় বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে সোহেল রানার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উদ্যোক্তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন।
‘টেকসই ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই সম্মেলনে দেশের বিশিষ্ট গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন।
বিএসএসএফ-এর সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. খালেদ হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। এ ছাড়াও বিপিআইসিসি’র সভাপতি মসিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনের তিনটি বৈজ্ঞানিক সেশনে ১৫টি গবেষণা প্রবন্ধ এবং বিশেষ সেশনে আরও ৪টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। প্রদর্শিত হয় প্রায় ৭০টি গবেষণা পোস্টার। এই আয়োজনের সহ-আয়োজক হিসেবে ছিল ওয়ার্ল্ড ফিশ, হেইফার ইন্টারন্যাশনাল ও গেইনের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।
সোহেল রানার এই অর্জনের খবর ছড়িয়ে পড়লে সাপাহারের কৃষক সমাজ ও স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা জানান, সোহেল রানার এই স্বীকৃতি নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে নওগাঁ জেলাকে দেশের সামনে নতুনভাবে পরিচিত করবে এবং তরুণদের এই পেশায় আসতে অনুপ্রাণিত করবে।

আপনার মতামত লিখুন