ঝিনাইদহের মহেশপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর এবার তার স্ত্রীর করা চাঁদাবাজি মামলায় আরও ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহেশপুর উপজেলার এসবিকে ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামে রাজনৈতিক সহকর্মী ফিরোজের ভাড়া বাসায় যান সাজ্জাদুল ইসলাম। অভিযোগ ওঠে, ফিরোজ বাড়িতে না থাকার সুযোগে তার স্ত্রীকে একা পেয়ে ধর্ষণচেষ্টা চালান সাজ্জাদ। ওই নারীর চিৎকারে স্থানীয়রা এসে সাজ্জাদকে আটকে রাখেন।
তবে সাজ্জাদুল ইসলামের স্ত্রী তহমিনা শম্পার দাবি, তার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। গত ৯ মে তিনি মহেশপুর থানায় একটি চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির মামলা করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন সাজ্জাদকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরে প্রাণভয়ে তিনি ১ লাখ টাকার একটি চেকে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন। ওই চেক দিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
এই মামলার পর তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. হামিদুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামি মাহবুবুর রহমান (৩০), মিজানুর রহমান ছোট (৩৫) ও ফিরোজকে (৪৫) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান জানান, পুরো ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। চাঁদাবাজি মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর আগে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সাজ্জাদুল ইসলামকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
ঝিনাইদহের মহেশপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর এবার তার স্ত্রীর করা চাঁদাবাজি মামলায় আরও ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহেশপুর উপজেলার এসবিকে ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামে রাজনৈতিক সহকর্মী ফিরোজের ভাড়া বাসায় যান সাজ্জাদুল ইসলাম। অভিযোগ ওঠে, ফিরোজ বাড়িতে না থাকার সুযোগে তার স্ত্রীকে একা পেয়ে ধর্ষণচেষ্টা চালান সাজ্জাদ। ওই নারীর চিৎকারে স্থানীয়রা এসে সাজ্জাদকে আটকে রাখেন।
তবে সাজ্জাদুল ইসলামের স্ত্রী তহমিনা শম্পার দাবি, তার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। গত ৯ মে তিনি মহেশপুর থানায় একটি চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির মামলা করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন সাজ্জাদকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরে প্রাণভয়ে তিনি ১ লাখ টাকার একটি চেকে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন। ওই চেক দিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
এই মামলার পর তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. হামিদুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামি মাহবুবুর রহমান (৩০), মিজানুর রহমান ছোট (৩৫) ও ফিরোজকে (৪৫) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান জানান, পুরো ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। চাঁদাবাজি মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর আগে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সাজ্জাদুল ইসলামকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন