রংপুর জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভা ও নির্বাচনের দাবিতে ডাকা ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে এই কর্মসূচি। এ সময় বিক্ষোভকারীরা রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। হামলায় অন্তত ৭ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
আন্দোলনকারী শ্রমিকদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। গত দুই বছর কোনো সাধারণ সভা বা নির্বাচন হচ্ছে না। উল্টো বিএনপির নাম ভাঙিয়ে একটি পক্ষ ইউনিয়নের কার্যালয় দখল করে রেখেছে এবং সাধারণ শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন ও চাঁদাবাজি চালাচ্ছে। বারবার নির্বাচনের দাবি জানানো হলেও দখলদারেরা তা কর্ণপাত করছে না।
এরই প্রতিবাদে আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেন সাধারণ শ্রমিকেরা। তারা জানান, সকালে নগরীর মডার্ন মোড় ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় শান্তিপূর্ণ অবস্থান চলাকালে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ৭ জন শ্রমিক কুপিয়ে জখম হন। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে শ্রমিকেরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সামনে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন।
অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হলে দুপুর ১টার দিকে শ্রমিকেরা অবরোধ ও ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন।
মটর শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা আফতাব উদ্দিন ও মোখতার হোসেন অভিযোগ করেন, হারুন চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি পক্ষ বিএনপির নাম ব্যবহার করে বাস টার্মিনাল ও মহাসড়কে দখলদারিত্ব কায়েম করেছে। তারা শ্রমিকদের জিম্মি করে চাঁদাবাজি করছে। দ্রুত সাধারণ সভা ডেকে নির্বাচনের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপকমিশনার (ডিসি) সনাতন চক্রবর্তী বলেন, সাধারণ সভার দাবিতে শ্রমিকেরা ধর্মঘট ডেকেছিলেন। এ সময় হামলা ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং শ্রমিকদের দাবির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
রংপুর জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভা ও নির্বাচনের দাবিতে ডাকা ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে এই কর্মসূচি। এ সময় বিক্ষোভকারীরা রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। হামলায় অন্তত ৭ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
আন্দোলনকারী শ্রমিকদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। গত দুই বছর কোনো সাধারণ সভা বা নির্বাচন হচ্ছে না। উল্টো বিএনপির নাম ভাঙিয়ে একটি পক্ষ ইউনিয়নের কার্যালয় দখল করে রেখেছে এবং সাধারণ শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন ও চাঁদাবাজি চালাচ্ছে। বারবার নির্বাচনের দাবি জানানো হলেও দখলদারেরা তা কর্ণপাত করছে না।
এরই প্রতিবাদে আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেন সাধারণ শ্রমিকেরা। তারা জানান, সকালে নগরীর মডার্ন মোড় ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় শান্তিপূর্ণ অবস্থান চলাকালে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ৭ জন শ্রমিক কুপিয়ে জখম হন। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে শ্রমিকেরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সামনে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন।
অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হলে দুপুর ১টার দিকে শ্রমিকেরা অবরোধ ও ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন।
মটর শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা আফতাব উদ্দিন ও মোখতার হোসেন অভিযোগ করেন, হারুন চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি পক্ষ বিএনপির নাম ব্যবহার করে বাস টার্মিনাল ও মহাসড়কে দখলদারিত্ব কায়েম করেছে। তারা শ্রমিকদের জিম্মি করে চাঁদাবাজি করছে। দ্রুত সাধারণ সভা ডেকে নির্বাচনের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপকমিশনার (ডিসি) সনাতন চক্রবর্তী বলেন, সাধারণ সভার দাবিতে শ্রমিকেরা ধর্মঘট ডেকেছিলেন। এ সময় হামলা ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং শ্রমিকদের দাবির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন