সংবাদ

গোবিপ্রবির ওয়েবসাইট : বাইরে ফিটফাট, ভেতরে তথ্যের অভাব


প্রতিনিধি, গোবিপ্রবি
প্রতিনিধি, গোবিপ্রবি
প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম

গোবিপ্রবির ওয়েবসাইট : বাইরে ফিটফাট, ভেতরে তথ্যের অভাব
ছবি : সংবাদ

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ওয়েবসাইট। একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচয়, শিক্ষা ও গবেষণার তথ্যভাণ্ডার হিসেবে এটি কাজ করলেও গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ওয়েবসাইটের চিত্র উল্টো। প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাব ও নিয়মিত হালনাগাদ না হওয়ায় এটি বর্তমানে অনেকটা অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রজেক্ট ও গবেষণার কাজে শিক্ষকদের পদবি ও গবেষণার তথ্য প্রয়োজন হয়। কিন্তু ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের পুরোনো পদবি রয়ে গেছে। অনেক শিক্ষক পদোন্নতি পেলেও তালিকায় তা সংশোধন করা হয়নি। এতে শিক্ষকদের কাছে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের। এছাড়া শিক্ষক বা কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত পাতায় গবেষণাপত্র বা যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য না থাকায় বিদেশি উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীরা সুপারভাইজার নির্বাচনে জটিলতায় পড়ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, তথ্য সংকটের কারণে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়েও পিছিয়ে পড়ছে প্রতিষ্ঠানটি। শুধু একাডেমিক নয়, প্রশাসনিক শাখাগুলোর অবস্থাও তথৈবচ। ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের ওয়েবসাইটে কোনো নিয়মিত বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যায় না। অথচ সেখান থেকে প্রতিনিয়ত গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ প্রকাশ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আবু কালাম বলেন, ‘ওয়েবসাইটটি প্রায় তথ্যহীন। কোনো হালনাগাদ তথ্য বা পেজ লিংক না থাকায় এটি অকার্যকর হয়ে আছে। পরীক্ষার ফলাফলসহ প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।’

ফলিত রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় আমাদের আইটি সেক্টর অনেক পিছিয়ে। ডিজিটাল যুগে এসে আমরা একটি সমৃদ্ধ ও আধুনিক ওয়েবসাইট চাই।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও আমরা কাজ করার চেষ্টা করছি। প্রশাসন কোনো তথ্য দিলে আমরা দ্রুত আপলোড করি। শিক্ষকদের কাছেও তথ্য চাওয়া হয়েছে। এছাড়া ওয়েবসাইটের নাম পরিবর্তন ও নতুন করে ওয়েবসাইট তৈরির জন্য নতুন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া চলছে।’

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামুজ্জামানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১০ মে ২০২৬


গোবিপ্রবির ওয়েবসাইট : বাইরে ফিটফাট, ভেতরে তথ্যের অভাব

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ওয়েবসাইট। একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচয়, শিক্ষা ও গবেষণার তথ্যভাণ্ডার হিসেবে এটি কাজ করলেও গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ওয়েবসাইটের চিত্র উল্টো। প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাব ও নিয়মিত হালনাগাদ না হওয়ায় এটি বর্তমানে অনেকটা অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রজেক্ট ও গবেষণার কাজে শিক্ষকদের পদবি ও গবেষণার তথ্য প্রয়োজন হয়। কিন্তু ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের পুরোনো পদবি রয়ে গেছে। অনেক শিক্ষক পদোন্নতি পেলেও তালিকায় তা সংশোধন করা হয়নি। এতে শিক্ষকদের কাছে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের। এছাড়া শিক্ষক বা কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত পাতায় গবেষণাপত্র বা যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য না থাকায় বিদেশি উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীরা সুপারভাইজার নির্বাচনে জটিলতায় পড়ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, তথ্য সংকটের কারণে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়েও পিছিয়ে পড়ছে প্রতিষ্ঠানটি। শুধু একাডেমিক নয়, প্রশাসনিক শাখাগুলোর অবস্থাও তথৈবচ। ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের ওয়েবসাইটে কোনো নিয়মিত বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যায় না। অথচ সেখান থেকে প্রতিনিয়ত গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ প্রকাশ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আবু কালাম বলেন, ‘ওয়েবসাইটটি প্রায় তথ্যহীন। কোনো হালনাগাদ তথ্য বা পেজ লিংক না থাকায় এটি অকার্যকর হয়ে আছে। পরীক্ষার ফলাফলসহ প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।’

ফলিত রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় আমাদের আইটি সেক্টর অনেক পিছিয়ে। ডিজিটাল যুগে এসে আমরা একটি সমৃদ্ধ ও আধুনিক ওয়েবসাইট চাই।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও আমরা কাজ করার চেষ্টা করছি। প্রশাসন কোনো তথ্য দিলে আমরা দ্রুত আপলোড করি। শিক্ষকদের কাছেও তথ্য চাওয়া হয়েছে। এছাড়া ওয়েবসাইটের নাম পরিবর্তন ও নতুন করে ওয়েবসাইট তৈরির জন্য নতুন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া চলছে।’

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামুজ্জামানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত