মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি ৪ তলা ভবনের বাসা থেকে বিরল প্রজাতির একটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে উপজেলার সাতগাঁও চৌমুহনা এলাকার বাসিন্দা সফেদ মিয়ার বাসা থেকে প্রাণীটি উদ্ধার করা হয়। পরে সেটিকে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসার ভেতরে অস্বাভাবিক নড়াচড়া টের পান সদস্যরা। পরে তারা বড় চোখের শান্ত স্বভাবের প্রাণীটি দেখতে পান। স্থানীয় এক সংবাদকর্মীর মাধ্যমে খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব প্রাণীটিকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকারীদের ধারণা, রাতের আঁধারে ভবনের স্যানিটারি পাইপ বেয়ে প্রাণীটি বাসার ভেতরে ঢুকে পড়েছিল। বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা জানান, বন উজাড় ও খাদ্যসংকটের কারণে এই নিশাচর প্রাণীগুলো মাঝেমধ্যে লোকালয়ে চলে আসছে। সাধারণত লাউয়াছড়া, সাতছড়ি ও রেমা-কেলেঙ্গা বনাঞ্চলে এদের বিচরণ দেখা যায়। লজ্জাবতী বানরটি বর্তমানে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের হেফাজতে রয়েছে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি ৪ তলা ভবনের বাসা থেকে বিরল প্রজাতির একটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে উপজেলার সাতগাঁও চৌমুহনা এলাকার বাসিন্দা সফেদ মিয়ার বাসা থেকে প্রাণীটি উদ্ধার করা হয়। পরে সেটিকে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসার ভেতরে অস্বাভাবিক নড়াচড়া টের পান সদস্যরা। পরে তারা বড় চোখের শান্ত স্বভাবের প্রাণীটি দেখতে পান। স্থানীয় এক সংবাদকর্মীর মাধ্যমে খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব প্রাণীটিকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকারীদের ধারণা, রাতের আঁধারে ভবনের স্যানিটারি পাইপ বেয়ে প্রাণীটি বাসার ভেতরে ঢুকে পড়েছিল। বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা জানান, বন উজাড় ও খাদ্যসংকটের কারণে এই নিশাচর প্রাণীগুলো মাঝেমধ্যে লোকালয়ে চলে আসছে। সাধারণত লাউয়াছড়া, সাতছড়ি ও রেমা-কেলেঙ্গা বনাঞ্চলে এদের বিচরণ দেখা যায়। লজ্জাবতী বানরটি বর্তমানে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের হেফাজতে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন