সংবাদ

গ্রিন মডেল টাউনে নিরাপত্তায় কড়াকড়ি আরোপের নির্দেশ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম

গ্রিন মডেল টাউনে নিরাপত্তায় কড়াকড়ি আরোপের নির্দেশ
রাজধানীর মুগদা এলাকায় অবস্থিত গ্রিন মডেল টাউন। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মুগদাস্থ গ্রিন মডেল টাউন এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর অপরাধ দমনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। শনিবার (২২ মে) বিকেলে আবাসন প্রকল্পটিতে আয়োজিত ‘মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক উঠান বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান বলেন, গ্রিন মডেল টাউনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ কড়াকড়ি আরোপ করবে। এখন থেকে এলাকায় নিয়মিত পুলিশি চেকপোস্ট বসানো হবে এবং অবৈধ মোটরসাইকেল পেলেই তা জব্দ (ডাম্পিং) করা হবে। সন্ধ্যা হওয়ার পর বিনোদনের অজুহাতে কোনো বহিরাগত ব্যক্তি এলাকায় প্রবেশ বা অবস্থান করতে পারবে না। এ সময় তিনি মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে যেকোনো তথ্য সরাসরি তাকে জানানোর জন্য বাসিন্দাদের অনুরোধ করেন।

মাদক ও অপরাধ দমনে সভায় ‘জিএমটি ইউথ ক্লাব’র পক্ষ থেকে একটি বিশেষ মাদকবিরোধী গ্রুপ গঠন করার কথা জানানো হয়। এই গ্রুপের সদস্যরা মুগদা থানা-পুলিশ ও স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীর (আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের সিকিউরিটি টিম) সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথভাবে কাজ করবেন। দ্রুত যোগাযোগের জন্য সভায় একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে পুলিশের কর্মকর্তারাও যুক্ত থাকবেন।

উঠান বৈঠকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, গ্রিন মডেল টাউনের বিভিন্ন ব্লকে বহিরাগতদের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় মাদক সেবন ও অসামাজিক কার্যকলাপ বাড়ছে। বিশেষ করে কিশোরদের বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানো এবং রাস্তার পাশে বসে আড্ডার নামে অসামাজিক কাজের কারণে সুস্থ পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। এ ছাড়া মান্ডা রোডে ভ্যান ও সিএনজি অটোরিকশার অবৈধ স্ট্যান্ডের কারণে সৃষ্ট যানজট এবং নিরাপত্তা কর্মীদের ধীরগতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে।

সভায় মান্ডা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মাইনুল বলেন, প্রতিটি প্রবেশপথে জরুরি নম্বর (হটলাইন) ও পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। বহিরাগত কেউ মাঠে খেলতে চাইলে আগে থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করার পরামর্শ দেন তিনি।

জিএমটি ইউথ ক্লাব ও গ্রিন মডেল টাউন হাউজিং কল্যাণ সমিতির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রকল্পটিকে নিরাপদ রাখতে পুলিশের সঙ্গে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

মোহাম্মদ ফরিদ আহম্মেদের সঞ্চালনায় সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার উদ্দিন, সাহাব উদ্দিন, মাহবুব রহমান ও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


গ্রিন মডেল টাউনে নিরাপত্তায় কড়াকড়ি আরোপের নির্দেশ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মুগদাস্থ গ্রিন মডেল টাউন এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর অপরাধ দমনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। শনিবার (২২ মে) বিকেলে আবাসন প্রকল্পটিতে আয়োজিত ‘মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক উঠান বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান বলেন, গ্রিন মডেল টাউনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ কড়াকড়ি আরোপ করবে। এখন থেকে এলাকায় নিয়মিত পুলিশি চেকপোস্ট বসানো হবে এবং অবৈধ মোটরসাইকেল পেলেই তা জব্দ (ডাম্পিং) করা হবে। সন্ধ্যা হওয়ার পর বিনোদনের অজুহাতে কোনো বহিরাগত ব্যক্তি এলাকায় প্রবেশ বা অবস্থান করতে পারবে না। এ সময় তিনি মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে যেকোনো তথ্য সরাসরি তাকে জানানোর জন্য বাসিন্দাদের অনুরোধ করেন।

মাদক ও অপরাধ দমনে সভায় ‘জিএমটি ইউথ ক্লাব’র পক্ষ থেকে একটি বিশেষ মাদকবিরোধী গ্রুপ গঠন করার কথা জানানো হয়। এই গ্রুপের সদস্যরা মুগদা থানা-পুলিশ ও স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীর (আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের সিকিউরিটি টিম) সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথভাবে কাজ করবেন। দ্রুত যোগাযোগের জন্য সভায় একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে পুলিশের কর্মকর্তারাও যুক্ত থাকবেন।

উঠান বৈঠকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, গ্রিন মডেল টাউনের বিভিন্ন ব্লকে বহিরাগতদের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় মাদক সেবন ও অসামাজিক কার্যকলাপ বাড়ছে। বিশেষ করে কিশোরদের বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানো এবং রাস্তার পাশে বসে আড্ডার নামে অসামাজিক কাজের কারণে সুস্থ পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। এ ছাড়া মান্ডা রোডে ভ্যান ও সিএনজি অটোরিকশার অবৈধ স্ট্যান্ডের কারণে সৃষ্ট যানজট এবং নিরাপত্তা কর্মীদের ধীরগতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে।

সভায় মান্ডা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মাইনুল বলেন, প্রতিটি প্রবেশপথে জরুরি নম্বর (হটলাইন) ও পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। বহিরাগত কেউ মাঠে খেলতে চাইলে আগে থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করার পরামর্শ দেন তিনি।

জিএমটি ইউথ ক্লাব ও গ্রিন মডেল টাউন হাউজিং কল্যাণ সমিতির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা প্রকল্পটিকে নিরাপদ রাখতে পুলিশের সঙ্গে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

মোহাম্মদ ফরিদ আহম্মেদের সঞ্চালনায় সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার উদ্দিন, সাহাব উদ্দিন, মাহবুব রহমান ও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত