রাজধানীর পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে সারা দেশে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) কুড়িগ্রাম, মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান, নাটোর ও রাজবাড়ীতে পৃথক কর্মসূচি পালন করেন সাধারণ শিক্ষার্থী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের মানুষ। আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্লোগান ও প্রতিবাদ মিছিল করে তারা।
হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম: ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চের উদ্যোগে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা মডেল মসজিদ গেটে জুমার নামাজের পর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আব্দুর রশিদ গনি, আল ইমরান, আলমগীর হোসেন, আব্দুর রশিদ রনি, আব্দুর রাজ্জাক রাজ ও নতুন কুঁড়ি কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক আসাদুজ্জামান রাজু বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, ফুলের মতো নিষ্পাপ শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা জাহিলিয়াতের সূচনা। এটি রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাকর। রামিসার বিচার না হলে সর্বস্তরের মানুষকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
প্রতিনিধি, সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ): সিরাজদিখানে সচেতন নাগরিক সমাজের আয়োজনে জুমার নামাজের পর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা হয়। বক্তারা রামিসা হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা ও ধর্ষণবিরোধী আইনের কঠোর প্রয়োগ দাবি করেন। তারা বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। রামিসার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে জানান আয়োজকরা।
সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ। ছবি: প্রতিনিধি
শেখ রাজীব প্রতিনিধি, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী): গোয়ালন্দে দৌলতদিয়া-ফরিদপুর মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রথম আলো গোয়ালন্দ ও রাজবাড়ী বন্ধুসভার আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা রামিসা হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বলেন, অপরাধীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না পেলে এ ধরনের অপরাধ আরও বাড়বে। ধর্ষণ ও হত্যার বিরুদ্ধে কেবল আইন নয়, তীব্র সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন বক্তারা। ঘটনার মূল হোতা ও সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে ফাঁসির দাবি জানানো হয়। সঞ্চালনা করেন গোয়ালন্দ উপজেলা বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক মো. শফিক মন্ডল।
এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় একই দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ, সমাবেশ করেছেন নানা শ্রেণী পেশার মানুষ। তারা বলেন, শুধু রামিসা নয়, দেশব্যাপী নারী ও শিশু নির্যাতনের ন্যায় বিচার হচ্ছে না। মাদক ও ধর্ষণ সামাজিক অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে কাজ করে শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় সারা দেশে প্রতিবাদের ঝড় বইছে।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে সারা দেশে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) কুড়িগ্রাম, মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান, নাটোর ও রাজবাড়ীতে পৃথক কর্মসূচি পালন করেন সাধারণ শিক্ষার্থী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের মানুষ। আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্লোগান ও প্রতিবাদ মিছিল করে তারা।
হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম: ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চের উদ্যোগে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা মডেল মসজিদ গেটে জুমার নামাজের পর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আব্দুর রশিদ গনি, আল ইমরান, আলমগীর হোসেন, আব্দুর রশিদ রনি, আব্দুর রাজ্জাক রাজ ও নতুন কুঁড়ি কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক আসাদুজ্জামান রাজু বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, ফুলের মতো নিষ্পাপ শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা জাহিলিয়াতের সূচনা। এটি রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাকর। রামিসার বিচার না হলে সর্বস্তরের মানুষকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
প্রতিনিধি, সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ): সিরাজদিখানে সচেতন নাগরিক সমাজের আয়োজনে জুমার নামাজের পর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা হয়। বক্তারা রামিসা হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা ও ধর্ষণবিরোধী আইনের কঠোর প্রয়োগ দাবি করেন। তারা বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। রামিসার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে জানান আয়োজকরা।
সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ। ছবি: প্রতিনিধি
শেখ রাজীব প্রতিনিধি, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী): গোয়ালন্দে দৌলতদিয়া-ফরিদপুর মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রথম আলো গোয়ালন্দ ও রাজবাড়ী বন্ধুসভার আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা রামিসা হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা বলেন, অপরাধীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না পেলে এ ধরনের অপরাধ আরও বাড়বে। ধর্ষণ ও হত্যার বিরুদ্ধে কেবল আইন নয়, তীব্র সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন বক্তারা। ঘটনার মূল হোতা ও সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে ফাঁসির দাবি জানানো হয়। সঞ্চালনা করেন গোয়ালন্দ উপজেলা বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক মো. শফিক মন্ডল।
এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় একই দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ, সমাবেশ করেছেন নানা শ্রেণী পেশার মানুষ। তারা বলেন, শুধু রামিসা নয়, দেশব্যাপী নারী ও শিশু নির্যাতনের ন্যায় বিচার হচ্ছে না। মাদক ও ধর্ষণ সামাজিক অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে কাজ করে শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় সারা দেশে প্রতিবাদের ঝড় বইছে।

আপনার মতামত লিখুন