রামিসা, আছিয়া- শুধু নাম নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু যেন নিরাপদে বাঁচতে পারে, সেই দাবি নিয়ে সোনারগাঁয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে শিশু-কিশোরদের জাতীয় সংগঠন ‘খেলাঘর’।
‘আজকের শিশু আগামীর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে শুক্রবার (২২ মে) সকাল ১০টায় সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে শিশু ধর্ষক ও হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
উপজেলা খেলাঘরের সম্পাদক মণ্ডলির সদস্য সাংবাদিক মাহবুবুল ইসলাম সুমনের সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক লায়ন রাজা রহমান, শিশু সাহিত্যিক ও সিসিমপুরের সাবেক কান্ট্রি ডিরেক্টর শাহ আলম, খেলাঘরিয়ান কাজী নাজমুল ইসলাম লিটু, উপজেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি শংকর প্রকাশ, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সাধারণ সম্পাদক রবিউল হুসাইন ও ভবনডাঙ্গা খেলাঘর আসরের আহ্বায়ক খুশি আলম।
‘খেলাঘর চায় না শিশুদের কান্না’ স্লোগানে বক্তারা বলেন, গত দেড় বছরে দেশে ৫৮০ জন শিশু ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছে ৪৮৩টি শিশু। বক্তারা প্রশ্ন তোলেন, আমাদের শিশুরা বর্তমানে কোথাও নিরাপদ নেই। সরকারের খুব দ্রুত এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, যেন শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের কোনো শঙ্কা না থাকে।
প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যার দ্রুত বিচারের যে আশ্বাস দিয়েছেন, তা শুধু কথায় নয়, কাজে যেন তার প্রতিফলন ঘটে- সেটাই দেখতে চায় মানুষ বলে মন্তব্য করেন বক্তারা। শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তারা। ধর্ষক ও হত্যাকারীদের কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয়ে যেন ছাড় না দেওয়া হয়, সে দাবিও জানান বক্তারা।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খেলাঘরের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন, সম্পাদক মণ্ডলির সদস্য সাংবাদিক নূরনবী জনি, কাজল বনিক, আলেয়া আক্তার, সুলতানা রাজিয়া, মিলন হোসাইন অপূর্ব, শিখা মনি, ফারজানা মিতুসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশু শিক্ষার্থী ও নেতৃবৃন্দ।
পরে প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে আরও একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা শিশু নিরাপত্তায় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের পাশাপাশি দ্রুত বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানান।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
রামিসা, আছিয়া- শুধু নাম নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু যেন নিরাপদে বাঁচতে পারে, সেই দাবি নিয়ে সোনারগাঁয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে শিশু-কিশোরদের জাতীয় সংগঠন ‘খেলাঘর’।
‘আজকের শিশু আগামীর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে শুক্রবার (২২ মে) সকাল ১০টায় সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে শিশু ধর্ষক ও হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
উপজেলা খেলাঘরের সম্পাদক মণ্ডলির সদস্য সাংবাদিক মাহবুবুল ইসলাম সুমনের সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক লায়ন রাজা রহমান, শিশু সাহিত্যিক ও সিসিমপুরের সাবেক কান্ট্রি ডিরেক্টর শাহ আলম, খেলাঘরিয়ান কাজী নাজমুল ইসলাম লিটু, উপজেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি শংকর প্রকাশ, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সাধারণ সম্পাদক রবিউল হুসাইন ও ভবনডাঙ্গা খেলাঘর আসরের আহ্বায়ক খুশি আলম।
‘খেলাঘর চায় না শিশুদের কান্না’ স্লোগানে বক্তারা বলেন, গত দেড় বছরে দেশে ৫৮০ জন শিশু ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছে ৪৮৩টি শিশু। বক্তারা প্রশ্ন তোলেন, আমাদের শিশুরা বর্তমানে কোথাও নিরাপদ নেই। সরকারের খুব দ্রুত এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, যেন শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের কোনো শঙ্কা না থাকে।
প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যার দ্রুত বিচারের যে আশ্বাস দিয়েছেন, তা শুধু কথায় নয়, কাজে যেন তার প্রতিফলন ঘটে- সেটাই দেখতে চায় মানুষ বলে মন্তব্য করেন বক্তারা। শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তারা। ধর্ষক ও হত্যাকারীদের কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয়ে যেন ছাড় না দেওয়া হয়, সে দাবিও জানান বক্তারা।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খেলাঘরের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন, সম্পাদক মণ্ডলির সদস্য সাংবাদিক নূরনবী জনি, কাজল বনিক, আলেয়া আক্তার, সুলতানা রাজিয়া, মিলন হোসাইন অপূর্ব, শিখা মনি, ফারজানা মিতুসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশু শিক্ষার্থী ও নেতৃবৃন্দ।
পরে প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে আরও একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা শিশু নিরাপত্তায় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের পাশাপাশি দ্রুত বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন