সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুখরালী এলাকায় সোহানা পারভীন নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) সকালে কুখরালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের একটি বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত সোহানা পারভীন শহরের দহাকুলা গ্রামের মো, আব্দুল খলিলের মেয়ে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহত সোহানার ৩ বছর বয়সী শিশুসন্তান ফাইয়াজ হোসেন। শিশুর কিছু কথা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তবে পরিবারের দাবি, সোহানাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা ও সোহানার পরিবারের লোকজনের দাবি, সোহানার স্বামী শেখ সাকিব হোসেন ও শাশুড়ি খালেদা বেগম দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, সাকিবের সঙ্গে পাশের বাড়ির এক তরুণীর অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। তরুণীকে নিয়ে সাকিব প্রায়ই বাইরে ঘুরতে যেতেন বলে জানান তারা। যা নিয়ে সোহানার সঙ্গে তার স্বামীর প্রায়ই কলহ হতো।
স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার সকালেও একইভাবে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে সোহানার লাশ পাওয়া যায়। লাশের খবর পেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছে। গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, ‘আমরা ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত চালাচ্ছেন।’
ওসি জানান,ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী শেখ সাকিব হোসেনকে থানায় আনা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত শেষে অপরাধ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
ওসি আরও জানান, তদন্ত ও যাচাই-বাছাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুখরালী এলাকায় সোহানা পারভীন নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) সকালে কুখরালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের একটি বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত সোহানা পারভীন শহরের দহাকুলা গ্রামের মো, আব্দুল খলিলের মেয়ে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহত সোহানার ৩ বছর বয়সী শিশুসন্তান ফাইয়াজ হোসেন। শিশুর কিছু কথা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তবে পরিবারের দাবি, সোহানাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা ও সোহানার পরিবারের লোকজনের দাবি, সোহানার স্বামী শেখ সাকিব হোসেন ও শাশুড়ি খালেদা বেগম দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, সাকিবের সঙ্গে পাশের বাড়ির এক তরুণীর অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। তরুণীকে নিয়ে সাকিব প্রায়ই বাইরে ঘুরতে যেতেন বলে জানান তারা। যা নিয়ে সোহানার সঙ্গে তার স্বামীর প্রায়ই কলহ হতো।
স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার সকালেও একইভাবে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে সোহানার লাশ পাওয়া যায়। লাশের খবর পেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছে। গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, ‘আমরা ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত চালাচ্ছেন।’
ওসি জানান,ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী শেখ সাকিব হোসেনকে থানায় আনা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত শেষে অপরাধ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
ওসি আরও জানান, তদন্ত ও যাচাই-বাছাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন