সংবাদ

মসজিদের নামে টপ সয়েল বিক্রি, হুমকিতে উৎপাদন


সোহেল কান্তি নাথ, বান্দরবান
সোহেল কান্তি নাথ, বান্দরবান
প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ০৮:৫৩ পিএম

মসজিদের নামে টপ সয়েল বিক্রি, হুমকিতে উৎপাদন
মসজিদের নামে উর্বর জমির মাটি বিক্রি। ইনসেটে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী তাহের। ছবি: প্রতিনিধি

বান্দরবানে সদর ইউনিয়নের ভাঙ্গামুড়া মুসলিম পাড়ায় মসজিদের নাম ভাঙিয়ে দিন-রাত স্কেভেটর চালিয়ে অবৈধভাবে ফসলি জমি মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে তাহের নামে একব্যক্তি বিরুদ্ধে।

এতে একদিকে যেমন কৃষি জমি কমে উৎপাদন হুমকির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে গভীর রাতে যেমন মাটি কাটা হচ্ছে, তেমনি দিনের আলোতেও প্রকাশ্যে চলছে এই কার্যক্রম। এতে একের পর এক ফসলি জমি কৃষির উপযোগিতা হারাচ্ছে।

তাছাড়া গহীন এলাকা হওয়াতেই প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এমন ধ্বংসযজ্ঞ কার্যক্রম চলমান রেখেছে তারা। আর কৃষি জমির উর্বর উপরিভাগ কেটে ট্রাকভর্তি করে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হচ্ছে মাটি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গভীর রাত পর্যন্ত ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে জমি কাটা হলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদারকি খুব একটা চোখে পড়ছে না। কেননা গহীন এলাকায় এসব কর্মকাণ্ডের কারণে উর্বরতা হারাচ্ছে ফসলি জমি।

মাটি বিক্রি করে মাটি পাচার হচ্ছে অন্যস্থানে আর অজুহাত দেখাচ্ছে মসজিদ আর কবর স্থান ভরাটে। গভীর রাতে যেমন মাটি কাটা হচ্ছে, তেমনি দিনের আলোতেও প্রকাশ্যে চলছে এই কার্যক্রম।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুহালং ইউনিয়নের মুসলিম পাড়া এলাকায় স্কেভেটর মাধ্যমে জমিতে কাটা হচ্ছে মাটি৷ সরবরাহের জন্য তিন থেকে চারটি ডাম্পার রয়েছে। গত একমাস ধরে মাটি কেটে বিক্রি করছেন।

সেখানে শ্রমিক হিসেনে নিয়োজিত রয়েছে কয়েকজন। প্রতি গাড়ি মাটি সরবরাহ করলে ৬০০ টাকা করে পাচ্ছেন মাটি ব্যবসায়ী। তবে সেসব মাটি মসজিদ আর কবর স্থানে ভরাট করা হচ্ছে দাবি করেন ব্যবসায়ী তাহের।

মুসলিম পাড়া বাসিন্দা ছৈয়দ ও মুনসুর বলেন, একমাস ধরে ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা হচ্ছে। দিনেও যেমন কাটছে সারারাত ও কাটা হচ্ছে। আমরা ঘুমাতে পারি নাহ।আর মসজিদ নাম ভাঙিয়ে মাটিগুলো অন্যস্থানে নিয়ে যাচ্ছে।

অভিযুক্ত মাটি ব্যবসায়ী তাহের বলেন, প্রতি গাড়ি বিক্রি করছি ৬০০ টাকা দরে। এসব মাটি ঠিকাদারকে জহিরকে দেয়া হচ্ছে আর মাটিগুলো কবর আর মসজিদ ভরাটে জন্য নেয়া হচ্ছে বলে দাবি করেব। তবে প্রশাসন থেকে কোন অনুমতি নেয়া হয়নি। বিকেলে এসে আপনার সঙ্গে কথা বলব বলে এড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফা সুলতানা খান হীরামনি বলেন, অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করার কোনো সুযোগ নাই। যেহেতু অভিযোগ এসেছে সরেজমিনে গিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


মসজিদের নামে টপ সয়েল বিক্রি, হুমকিতে উৎপাদন

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬

featured Image

বান্দরবানে সদর ইউনিয়নের ভাঙ্গামুড়া মুসলিম পাড়ায় মসজিদের নাম ভাঙিয়ে দিন-রাত স্কেভেটর চালিয়ে অবৈধভাবে ফসলি জমি মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে তাহের নামে একব্যক্তি বিরুদ্ধে।

এতে একদিকে যেমন কৃষি জমি কমে উৎপাদন হুমকির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে গভীর রাতে যেমন মাটি কাটা হচ্ছে, তেমনি দিনের আলোতেও প্রকাশ্যে চলছে এই কার্যক্রম। এতে একের পর এক ফসলি জমি কৃষির উপযোগিতা হারাচ্ছে।

তাছাড়া গহীন এলাকা হওয়াতেই প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এমন ধ্বংসযজ্ঞ কার্যক্রম চলমান রেখেছে তারা। আর কৃষি জমির উর্বর উপরিভাগ কেটে ট্রাকভর্তি করে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হচ্ছে মাটি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গভীর রাত পর্যন্ত ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে জমি কাটা হলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদারকি খুব একটা চোখে পড়ছে না। কেননা গহীন এলাকায় এসব কর্মকাণ্ডের কারণে উর্বরতা হারাচ্ছে ফসলি জমি।

মাটি বিক্রি করে মাটি পাচার হচ্ছে অন্যস্থানে আর অজুহাত দেখাচ্ছে মসজিদ আর কবর স্থান ভরাটে। গভীর রাতে যেমন মাটি কাটা হচ্ছে, তেমনি দিনের আলোতেও প্রকাশ্যে চলছে এই কার্যক্রম।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুহালং ইউনিয়নের মুসলিম পাড়া এলাকায় স্কেভেটর মাধ্যমে জমিতে কাটা হচ্ছে মাটি৷ সরবরাহের জন্য তিন থেকে চারটি ডাম্পার রয়েছে। গত একমাস ধরে মাটি কেটে বিক্রি করছেন।

সেখানে শ্রমিক হিসেনে নিয়োজিত রয়েছে কয়েকজন। প্রতি গাড়ি মাটি সরবরাহ করলে ৬০০ টাকা করে পাচ্ছেন মাটি ব্যবসায়ী। তবে সেসব মাটি মসজিদ আর কবর স্থানে ভরাট করা হচ্ছে দাবি করেন ব্যবসায়ী তাহের।

মুসলিম পাড়া বাসিন্দা ছৈয়দ ও মুনসুর বলেন, একমাস ধরে ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা হচ্ছে। দিনেও যেমন কাটছে সারারাত ও কাটা হচ্ছে। আমরা ঘুমাতে পারি নাহ।আর মসজিদ নাম ভাঙিয়ে মাটিগুলো অন্যস্থানে নিয়ে যাচ্ছে।

অভিযুক্ত মাটি ব্যবসায়ী তাহের বলেন, প্রতি গাড়ি বিক্রি করছি ৬০০ টাকা দরে। এসব মাটি ঠিকাদারকে জহিরকে দেয়া হচ্ছে আর মাটিগুলো কবর আর মসজিদ ভরাটে জন্য নেয়া হচ্ছে বলে দাবি করেব। তবে প্রশাসন থেকে কোন অনুমতি নেয়া হয়নি। বিকেলে এসে আপনার সঙ্গে কথা বলব বলে এড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফা সুলতানা খান হীরামনি বলেন, অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করার কোনো সুযোগ নাই। যেহেতু অভিযোগ এসেছে সরেজমিনে গিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত