সংবাদ

কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নিয়ে এবারও শঙ্কা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম

কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নিয়ে এবারও শঙ্কা

​আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া সরকারনির্ধারিত দামে কেনা নিয়ে এবারও চরম শঙ্কা প্রকাশ করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে অতিরিক্ত গরম, সংরক্ষণের দুর্বলতা ও পরিবহন জটিলতার কারণে এবারও বিপুল পরিমাণ চামড়া নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

​এই নানামুখী শঙ্কার মধ্যেই আসন্ন ঈদে চামড়া কিনতে বাজারে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ছেড়েছেন ট্যানারি ব্যবসায়ীরা। এবার প্রায় ১ কোটি পিস চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে তাদের।


​এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চামড়ার ন্যায্যমূল্য ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে তাদের বিশেষ মনিটরিং টিম সক্রিয় থাকবে। এছাড়া কোরবানির পশুর চামড়া যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত দিয়ে পাচার হতে না পারে, সেজন্য সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


​সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বছরের তুলনায় প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা বাড়িয়ে এবার ঢাকার ভেতরে গরুর কাঁচা চামড়ার দর প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ঢাকার বাইরে এই দর নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ৫৭ থেকে ৬২ টাকা।


​সরকারি এই হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি গরুর চামড়া কমবেশি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। গত কয়েক বছর ধরে মাঠপর্যায়ে গরুর চামড়া ৩ থেকে ৫০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। অপরদিকে, বকরির চামড়া কেনার মতো কোনো ক্রেতাই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।


​বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, কোরবানির ঈদে সারা দেশ থেকে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ, প্রাথমিক প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং তা ট্যানারি মালিকদের কাছে বিক্রির মূল কাজটি এই সংগঠনের সদস্যরা নিয়ন্ত্রণ করেন।


​সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার এই চরম ঘাটতির কারণেই মূলত ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশীয় চামড়ার বাজারে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬


কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নিয়ে এবারও শঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬

featured Image

​আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া সরকারনির্ধারিত দামে কেনা নিয়ে এবারও চরম শঙ্কা প্রকাশ করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে অতিরিক্ত গরম, সংরক্ষণের দুর্বলতা ও পরিবহন জটিলতার কারণে এবারও বিপুল পরিমাণ চামড়া নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

​এই নানামুখী শঙ্কার মধ্যেই আসন্ন ঈদে চামড়া কিনতে বাজারে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ছেড়েছেন ট্যানারি ব্যবসায়ীরা। এবার প্রায় ১ কোটি পিস চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে তাদের।


​এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চামড়ার ন্যায্যমূল্য ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে তাদের বিশেষ মনিটরিং টিম সক্রিয় থাকবে। এছাড়া কোরবানির পশুর চামড়া যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত দিয়ে পাচার হতে না পারে, সেজন্য সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


​সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বছরের তুলনায় প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা বাড়িয়ে এবার ঢাকার ভেতরে গরুর কাঁচা চামড়ার দর প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ঢাকার বাইরে এই দর নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ৫৭ থেকে ৬২ টাকা।


​সরকারি এই হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি গরুর চামড়া কমবেশি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। গত কয়েক বছর ধরে মাঠপর্যায়ে গরুর চামড়া ৩ থেকে ৫০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। অপরদিকে, বকরির চামড়া কেনার মতো কোনো ক্রেতাই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।


​বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, কোরবানির ঈদে সারা দেশ থেকে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ, প্রাথমিক প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং তা ট্যানারি মালিকদের কাছে বিক্রির মূল কাজটি এই সংগঠনের সদস্যরা নিয়ন্ত্রণ করেন।


​সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার এই চরম ঘাটতির কারণেই মূলত ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশীয় চামড়ার বাজারে।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত