যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের যুদ্ধ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় তেলের দাম হঠাৎ করেই অনেকটা কমে গেছে। জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা।
জুলাই মাসের জন্য ব্রেন্ট ফিউচারের দাম সোমবার (২৫ মে) গ্রিনিচ মান সময় ১টা ৫ অনুযায়ী প্রতি ব্যারেল ৯৮.৪৭ ডলারে নেমে আসে। এটি এক মাস আগের তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ কম, তবে যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এখনও এক-তৃতীয়াংশের বেশি বেশি রয়েছে।
এদিকে জাপানের প্রধান শেয়ারবাজার সূচক নিক্কেই ২২৫ সোমবার সকালের লেনদেনে ৩ শতাংশের বেশি বেড়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। শুক্রবারও সূচকটি সর্বোচ্চ অবস্থানে বন্ধ হয়েছিল।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্পার্টার জ্যেষ্ঠ তেলবাজার বিশ্লেষক জুন গোহ আল জাজিরাকে বলেন, ‘মূল পরিস্থিতিতে তেমন পরিবর্তন হয়নি। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ১ থেকে ১.১ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে বাজার আশা করছে, চুক্তি হলে আটকে থাকা জাহাজগুলো থেকে প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেল আবার বাজারে আসবে।’
গোহের মতে, ‘চুক্তি চূড়ান্ত হলেও বাজার কিছু সময় অস্থির থাকবে।‘
তিনি বলেন, ‘সবকিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে এখনও তিন থেকে ছয় মাস সময় লাগতে পারে। উৎপাদন ও রিফাইনারি পুরোপুরি চালু হতেও সময় লাগবে। ‘
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে রেখেছে। এর ফলে বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় পাঁচভাগের একভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অন্যদিকে এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বন্দরগুলোতে নিজস্ব অবরোধ চালু করেছে, যা ওই জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে আরও বাধা সৃষ্টি করেছে।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের যুদ্ধ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় তেলের দাম হঠাৎ করেই অনেকটা কমে গেছে। জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা।
জুলাই মাসের জন্য ব্রেন্ট ফিউচারের দাম সোমবার (২৫ মে) গ্রিনিচ মান সময় ১টা ৫ অনুযায়ী প্রতি ব্যারেল ৯৮.৪৭ ডলারে নেমে আসে। এটি এক মাস আগের তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ কম, তবে যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এখনও এক-তৃতীয়াংশের বেশি বেশি রয়েছে।
এদিকে জাপানের প্রধান শেয়ারবাজার সূচক নিক্কেই ২২৫ সোমবার সকালের লেনদেনে ৩ শতাংশের বেশি বেড়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। শুক্রবারও সূচকটি সর্বোচ্চ অবস্থানে বন্ধ হয়েছিল।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্পার্টার জ্যেষ্ঠ তেলবাজার বিশ্লেষক জুন গোহ আল জাজিরাকে বলেন, ‘মূল পরিস্থিতিতে তেমন পরিবর্তন হয়নি। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ১ থেকে ১.১ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে বাজার আশা করছে, চুক্তি হলে আটকে থাকা জাহাজগুলো থেকে প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেল আবার বাজারে আসবে।’
গোহের মতে, ‘চুক্তি চূড়ান্ত হলেও বাজার কিছু সময় অস্থির থাকবে।‘
তিনি বলেন, ‘সবকিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে এখনও তিন থেকে ছয় মাস সময় লাগতে পারে। উৎপাদন ও রিফাইনারি পুরোপুরি চালু হতেও সময় লাগবে। ‘
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে রেখেছে। এর ফলে বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় পাঁচভাগের একভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অন্যদিকে এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বন্দরগুলোতে নিজস্ব অবরোধ চালু করেছে, যা ওই জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে আরও বাধা সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন