সংবাদ

আদ-দ্বীন হাসপাতালে বিষাক্ত গ্যাসের খোঁজে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬, ০৫:০৭ পিএম

আদ-দ্বীন হাসপাতালে বিষাক্ত গ্যাসের খোঁজে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট

​রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একসঙ্গে ছয়টি নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (২৭ মে) সকালে হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে কোনো বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে দুপুরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। এর আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা এসে হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ রুম থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করেন।
নাম প্রকা‌শে অ‌নিচ্ছুক ​ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের এক সদস‌্য বলেন, "উন্নত প্রযুক্তির কিছু ডিভাইস দি‌য়ে যে কক্ষে নবজাতকরা মারা গেছে সেই কক্ষে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হ‌য়ে‌ছে। এখানে কোনো বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়েছে কি না, আর ছড়িয়ে থাকলে কোন গ্যাস এবং কী পরিমাণে ছড়িয়েছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শেষে বলা যাবে।"
​ঠিক কী কারণে একসঙ্গে ছয়টি শিশুর মৃত্যু হলো, সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি। তবে মৃত শিশুদের স্বজনরা অভিযোগ তুলেছেন, নবজাতক ওয়ার্ডের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) যন্ত্রের গ্যাস লিকেজ থেকেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।
​এদিকে দুপুরের দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের মহাপরিচালক (হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিং) অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, "সকাল ৬টার দিকে হঠাৎ করে বাচ্চার মায়েরা কর্তব্যরত নার্সদের বলছিলেন, বাচ্চাকে অসুস্থ মনে হচ্ছে। তখন ছয়জন বাচ্চাকেই এনআইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে সেখানে নেওয়ার সময় দুজন বাচ্চা মারা যায়। অন্য চারজন বাচ্চার অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। তাদের ভেনটিলেটর সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বাঁচানো যায়নি।"

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬


আদ-দ্বীন হাসপাতালে বিষাক্ত গ্যাসের খোঁজে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬

featured Image

​রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একসঙ্গে ছয়টি নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (২৭ মে) সকালে হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে কোনো বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে দুপুরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। এর আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা এসে হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ রুম থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করেন।
নাম প্রকা‌শে অ‌নিচ্ছুক ​ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের এক সদস‌্য বলেন, "উন্নত প্রযুক্তির কিছু ডিভাইস দি‌য়ে যে কক্ষে নবজাতকরা মারা গেছে সেই কক্ষে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হ‌য়ে‌ছে। এখানে কোনো বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়েছে কি না, আর ছড়িয়ে থাকলে কোন গ্যাস এবং কী পরিমাণে ছড়িয়েছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শেষে বলা যাবে।"
​ঠিক কী কারণে একসঙ্গে ছয়টি শিশুর মৃত্যু হলো, সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি। তবে মৃত শিশুদের স্বজনরা অভিযোগ তুলেছেন, নবজাতক ওয়ার্ডের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) যন্ত্রের গ্যাস লিকেজ থেকেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।
​এদিকে দুপুরের দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের মহাপরিচালক (হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিং) অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, "সকাল ৬টার দিকে হঠাৎ করে বাচ্চার মায়েরা কর্তব্যরত নার্সদের বলছিলেন, বাচ্চাকে অসুস্থ মনে হচ্ছে। তখন ছয়জন বাচ্চাকেই এনআইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে সেখানে নেওয়ার সময় দুজন বাচ্চা মারা যায়। অন্য চারজন বাচ্চার অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। তাদের ভেনটিলেটর সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বাঁচানো যায়নি।"


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত