ভোলার লালমোহনে অসহায় ও দুস্থদের শেষ বিদায়ের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিশ্চিত করতে কাজ করছে স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ ‘লাস্ট ড্রেস বাই শওকত’। এরই অংশ হিসেবে রোববার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সিফাত বিন সাদেকের কাছে কাফনের কাপড়সহ দাফনের সামগ্রী হস্তান্তর করেন উদ্যোক্তা মো. শওকত আরিফ।
দাফন সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি এদিন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন গাছের চারাও বিতরণ করা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে সমাজকর্মী মো. জহিরুল ইসলাম, বনকর্মী তন্ময় ও স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্যোক্তা মো. শওকত আরিফ জানান, সমাজে অনেক অসহায় মানুষ রয়েছেন, যাদের মৃত্যুর পর দাফনের কাপড় কেনার সামর্থ্য থাকে না। অনেক সময় বেওয়ারিশ লাশের দাফনেও সংকট তৈরি হয়। মূলত তাদের সহায়তার উদ্দেশ্যেই উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ভোলার পাশাপাশি বর্তমানে বরিশাল ও নীলফামারীর বিভিন্ন বৃদ্ধাশ্রমেও এ সেবা চালু রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী এসব এলাকায় নিয়মিত দাফন সামগ্রী পাঠানো হয়।
পেশায় বেসরকারি চাকরিজীবী শওকত আরিফ নিজের বেতনের একটি অংশ দিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে এই জনহিতকর কাজ করে আসছেন। তিনি জানান, আমৃত্যু এই সেবা অব্যাহত রাখতে চান তিনি।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
ভোলার লালমোহনে অসহায় ও দুস্থদের শেষ বিদায়ের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিশ্চিত করতে কাজ করছে স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ ‘লাস্ট ড্রেস বাই শওকত’। এরই অংশ হিসেবে রোববার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সিফাত বিন সাদেকের কাছে কাফনের কাপড়সহ দাফনের সামগ্রী হস্তান্তর করেন উদ্যোক্তা মো. শওকত আরিফ।
দাফন সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি এদিন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন গাছের চারাও বিতরণ করা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে সমাজকর্মী মো. জহিরুল ইসলাম, বনকর্মী তন্ময় ও স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্যোক্তা মো. শওকত আরিফ জানান, সমাজে অনেক অসহায় মানুষ রয়েছেন, যাদের মৃত্যুর পর দাফনের কাপড় কেনার সামর্থ্য থাকে না। অনেক সময় বেওয়ারিশ লাশের দাফনেও সংকট তৈরি হয়। মূলত তাদের সহায়তার উদ্দেশ্যেই উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ভোলার পাশাপাশি বর্তমানে বরিশাল ও নীলফামারীর বিভিন্ন বৃদ্ধাশ্রমেও এ সেবা চালু রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী এসব এলাকায় নিয়মিত দাফন সামগ্রী পাঠানো হয়।
পেশায় বেসরকারি চাকরিজীবী শওকত আরিফ নিজের বেতনের একটি অংশ দিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে এই জনহিতকর কাজ করে আসছেন। তিনি জানান, আমৃত্যু এই সেবা অব্যাহত রাখতে চান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন