যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ মরুভূমিতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ ২০২৬’ (ইউআরসি) প্রতিযোগিতায় বিশ্বমঞ্চে তৃতীয় স্থান অর্জন করে এক অভূতপূর্ব ইতিহাস গড়েছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) মঙ্গল রোভার দল ‘ইউএমআরটি’।
এই প্রতিযোগিতার ২০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম এশিয়ার কোনো দল চূড়ান্ত পর্বের লড়াইয়ে বিশ্বমঞ্চের সেরা তিনে জায়গা করে নেওয়ার গৌরব অর্জন করল। একই সাথে অসাধারণ নেভিগেশন, পারসেপশন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা প্রদর্শন করে দলটি প্রতিযোগিতার মর্যাদাপূর্ণ ‘সেরা স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম’ (বেস্ট অটোনোমাস সিস্টেম) এর বিশেষ স্বীকৃতিও ঘরে তুলেছে।
ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রোবোটিক্সের (কেয়ার) প্রতিনিধিত্বকারী এই দলটির অভূতপূর্ব সাফল্যে বৈশ্বিক তালিকায় শীর্ষ তিনে অবস্থান করছে যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি এসঅ্যান্ডটি মার্স রোভার ডিজাইন টিম, দ্বিতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়ার মোনাস নোভা রোভার এবং তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশের ইউআইইউ মার্স রোভার টিম।
এবারের আসরে বিশ্বজুড়ে অংশ নেওয়া ১১৬টি দলের মধ্যে মাত্র ৩৮টি শীর্ষ দল যুক্তরাষ্ট্রের মার্স ডেজার্ট রিসার্চ স্টেশনে চূড়ান্ত মাঠ পর্যায়ের লড়াইয়ের টিকিট পেয়েছিল, যেখানে সবাইকে পেছনে ফেলে পডিয়ামে দাঁড়ায় বাংলাদেশ।
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা ওড়ানোর অবিস্মরণীয় মুহূর্তটি স্মরণ করে দলের প্রতিনিধিরা বলেন, "বিশ্বমঞ্চে আমাদের দলের পতাকা উত্তোলন এবং তা ওড়ানোর যে অনুভূতি, তা আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা সেখানে গিয়েছি, লড়াই করেছি এবং দেশের জন্য ইতিহাস ছিনিয়ে এনেছি।"
এই ঐতিহাসিক অর্জনকে শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেন্টরদের সঠিক নির্দেশনার ফসল উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এই মাইলফলক আমাদের ছাত্র, মেন্টর, অ্যালামনাই এবং শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টা ও বিনিদ্র রজনীর ফল। তারা প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশ কেবল উন্নত রোবোটিক্সের ভবিষ্যতে অংশই নিচ্ছে না, বরং এতে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতাও রাখে।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ মরুভূমিতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ ২০২৬’ (ইউআরসি) প্রতিযোগিতায় বিশ্বমঞ্চে তৃতীয় স্থান অর্জন করে এক অভূতপূর্ব ইতিহাস গড়েছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) মঙ্গল রোভার দল ‘ইউএমআরটি’।
এই প্রতিযোগিতার ২০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম এশিয়ার কোনো দল চূড়ান্ত পর্বের লড়াইয়ে বিশ্বমঞ্চের সেরা তিনে জায়গা করে নেওয়ার গৌরব অর্জন করল। একই সাথে অসাধারণ নেভিগেশন, পারসেপশন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা প্রদর্শন করে দলটি প্রতিযোগিতার মর্যাদাপূর্ণ ‘সেরা স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম’ (বেস্ট অটোনোমাস সিস্টেম) এর বিশেষ স্বীকৃতিও ঘরে তুলেছে।
ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রোবোটিক্সের (কেয়ার) প্রতিনিধিত্বকারী এই দলটির অভূতপূর্ব সাফল্যে বৈশ্বিক তালিকায় শীর্ষ তিনে অবস্থান করছে যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি এসঅ্যান্ডটি মার্স রোভার ডিজাইন টিম, দ্বিতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়ার মোনাস নোভা রোভার এবং তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশের ইউআইইউ মার্স রোভার টিম।
এবারের আসরে বিশ্বজুড়ে অংশ নেওয়া ১১৬টি দলের মধ্যে মাত্র ৩৮টি শীর্ষ দল যুক্তরাষ্ট্রের মার্স ডেজার্ট রিসার্চ স্টেশনে চূড়ান্ত মাঠ পর্যায়ের লড়াইয়ের টিকিট পেয়েছিল, যেখানে সবাইকে পেছনে ফেলে পডিয়ামে দাঁড়ায় বাংলাদেশ।
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা ওড়ানোর অবিস্মরণীয় মুহূর্তটি স্মরণ করে দলের প্রতিনিধিরা বলেন, "বিশ্বমঞ্চে আমাদের দলের পতাকা উত্তোলন এবং তা ওড়ানোর যে অনুভূতি, তা আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা সেখানে গিয়েছি, লড়াই করেছি এবং দেশের জন্য ইতিহাস ছিনিয়ে এনেছি।"
এই ঐতিহাসিক অর্জনকে শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেন্টরদের সঠিক নির্দেশনার ফসল উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এই মাইলফলক আমাদের ছাত্র, মেন্টর, অ্যালামনাই এবং শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টা ও বিনিদ্র রজনীর ফল। তারা প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশ কেবল উন্নত রোবোটিক্সের ভবিষ্যতে অংশই নিচ্ছে না, বরং এতে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতাও রাখে।

আপনার মতামত লিখুন