সংবাদ

ঈদ গেলেও বগুড়ায় কমছে না সবজির দাম


জেলা বার্তা পরিবেশক, বগুড়া
জেলা বার্তা পরিবেশক, বগুড়া
প্রকাশ: ৫ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম

ঈদ গেলেও বগুড়ায় কমছে না সবজির দাম
বাজারে সবজির সরবরাহও বেশি। তবে দাম কমছে না। ছবি: প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল আজহা শেষে বগুড়ার বাজারে বেড়েছে আলুর দাম। এছাড়াও স্বাভাবিক সরবরাহেরও পরেও বেশকিছু সবজি বাড়তি দামে বিক্রি হতে দেখা যায়। এতে অস্বস্তিতে রয়েছেন ক্রেতারা।

ক্রেতাদের অভিযোগ, আড়ত বন্ধ বা সরবরাহ সংকটের অজুহাত তুলে কিছু মুনাফালোভী ব্যবসায়ী সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন। এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের পর সবজির সরবরাহ কম। তবে আলুর দাম আগের চেয়ে বেড়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) বগুড়ার ফতেহ আলী, রাজাবাজার, কলোনী ও খান্দার বাজারসহ শহরের বেশকিছু বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন প্রকারের আলু মান ও জাতভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। যা ঈদের আগে ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বেগুন ৫০ থেকে ৬০টাকা, পটল ৬০, পেঁয়াজ, ঝিংগা ও শশা ৪০ থেকে ৪৫টাকা, করলা ৪০ থেকে ৫০, কাকরোল ৫০, কাঁচামরিচ ৬০, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০, পেঁপে ৬০টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০টাকা, আদা ১৫০ থেকে ১৬০, রসুন ১২০ থেকে ২০০ টাকায় বেচাকেনা হতে দেখা যায়।

বগুড়ার ফতেহ আলী বাজারে প্রতি এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০০ থেকে ২১০ টাকা এবং পাঁচ লিটার তেল ৯৬০ থেকে ৯৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ঈদের পর মুরগির বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম কমে ১৬০ টাকা, পাকিস্তানি ককরেল মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ এবং দেশি মুরগি ৬৪০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। ফার্মের ডিম প্রতি হালি ৪২ থেকে ৪৪ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। 

এদিন বাজারে আড়াই কেজি ওজনের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা, তিন কেজি ওজনের কাতল মাছ ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং একই ওজনের সিলভার কার্প মাছ ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বেচাকেনা হয়। টেংরা মাছের কেজি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং পাবদা মাছ ২৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

বগুড়া কলোনী বাজারের ব্যবসায়ী মো. মামুন মিয়া জানান, ঈদের পর বাজারে আলুর দাম বেড়েছে। কারণ, কৃষকের আলু নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া বাজারে কিছু কিছু সবজি বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে আসা মো. রোস্তম আলী জানান, বাজারে আলুসহ অন্যান্য সবজির দাম বাড়তি। এতে করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের হিমশিম ক্ষেতে হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬


ঈদ গেলেও বগুড়ায় কমছে না সবজির দাম

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬

featured Image

পবিত্র ঈদুল আজহা শেষে বগুড়ার বাজারে বেড়েছে আলুর দাম। এছাড়াও স্বাভাবিক সরবরাহেরও পরেও বেশকিছু সবজি বাড়তি দামে বিক্রি হতে দেখা যায়। এতে অস্বস্তিতে রয়েছেন ক্রেতারা।

ক্রেতাদের অভিযোগ, আড়ত বন্ধ বা সরবরাহ সংকটের অজুহাত তুলে কিছু মুনাফালোভী ব্যবসায়ী সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন। এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের পর সবজির সরবরাহ কম। তবে আলুর দাম আগের চেয়ে বেড়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) বগুড়ার ফতেহ আলী, রাজাবাজার, কলোনী ও খান্দার বাজারসহ শহরের বেশকিছু বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন প্রকারের আলু মান ও জাতভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। যা ঈদের আগে ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বেগুন ৫০ থেকে ৬০টাকা, পটল ৬০, পেঁয়াজ, ঝিংগা ও শশা ৪০ থেকে ৪৫টাকা, করলা ৪০ থেকে ৫০, কাকরোল ৫০, কাঁচামরিচ ৬০, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০, পেঁপে ৬০টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০টাকা, আদা ১৫০ থেকে ১৬০, রসুন ১২০ থেকে ২০০ টাকায় বেচাকেনা হতে দেখা যায়।

বগুড়ার ফতেহ আলী বাজারে প্রতি এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০০ থেকে ২১০ টাকা এবং পাঁচ লিটার তেল ৯৬০ থেকে ৯৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ঈদের পর মুরগির বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম কমে ১৬০ টাকা, পাকিস্তানি ককরেল মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ এবং দেশি মুরগি ৬৪০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। ফার্মের ডিম প্রতি হালি ৪২ থেকে ৪৪ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। 

এদিন বাজারে আড়াই কেজি ওজনের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা, তিন কেজি ওজনের কাতল মাছ ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং একই ওজনের সিলভার কার্প মাছ ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বেচাকেনা হয়। টেংরা মাছের কেজি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং পাবদা মাছ ২৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

বগুড়া কলোনী বাজারের ব্যবসায়ী মো. মামুন মিয়া জানান, ঈদের পর বাজারে আলুর দাম বেড়েছে। কারণ, কৃষকের আলু নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া বাজারে কিছু কিছু সবজি বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে আসা মো. রোস্তম আলী জানান, বাজারে আলুসহ অন্যান্য সবজির দাম বাড়তি। এতে করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের হিমশিম ক্ষেতে হচ্ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত