বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে। এটাই চিরন্তন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বনের স্বাভাবিক পরিবেশ থেকে তুলে এনে কোন প্রাণীকে খাঁচা বন্দী করে রাখতে চাইলে বিপত্তি ঘটে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। আর এমন ঘটনা ঘটেছে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের আলী বান্দা পর্যটন কেন্দ্রে।
পর্যটন কেন্দ্রে খাঁচাবন্দী অবস্থায় একটি চিত্রল হরিণের সদ্যোজাত বাচ্চার মৃত্যু হয়েছে। প্রচণ্ড গরমে হিটস্ট্রোকে শাবকটি মারা গেছে বলে ধারণা করছে বন বিভাগ।বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলীবান্দা এলাকায় পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণের পর সেখানে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ৫ টি চিত্রল হরিণ খাঁচায় আটকে রাখা হয়। মঙ্গলবার (২ জুন) একটি হরিণ বাচ্চা প্রসব করে। পরদিন বুধবার (৩ জুন) ফুটফুটে শাবকটি মারা যায়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে মৃত শাবকটিকে বন এলাকায় মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, হরিণগুলো যে খাঁচায় রাখা হয়েছে সেখানে পর্যাপ্ত গাছপালা না থাকায় ছায়ার অভাব রয়েছে। সেই সঙ্গে সুপেয় পানির সংকটের কারণেও বন্য প্রাণীগুলো কষ্ট পাচ্ছে। পর্যাপ্ত ছায়া ও সঠিক পরিচর্যার অভাবেই শাবকটির মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন।
শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম হরিণশাবকটির মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রচণ্ড গরমে হিটস্ট্রোকে শাবকটি মারা যেতে পারে। মৃত হরিণশাবকটি বনাঞ্চলে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে। এটাই চিরন্তন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বনের স্বাভাবিক পরিবেশ থেকে তুলে এনে কোন প্রাণীকে খাঁচা বন্দী করে রাখতে চাইলে বিপত্তি ঘটে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। আর এমন ঘটনা ঘটেছে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের আলী বান্দা পর্যটন কেন্দ্রে।
পর্যটন কেন্দ্রে খাঁচাবন্দী অবস্থায় একটি চিত্রল হরিণের সদ্যোজাত বাচ্চার মৃত্যু হয়েছে। প্রচণ্ড গরমে হিটস্ট্রোকে শাবকটি মারা গেছে বলে ধারণা করছে বন বিভাগ।বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলীবান্দা এলাকায় পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণের পর সেখানে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ৫ টি চিত্রল হরিণ খাঁচায় আটকে রাখা হয়। মঙ্গলবার (২ জুন) একটি হরিণ বাচ্চা প্রসব করে। পরদিন বুধবার (৩ জুন) ফুটফুটে শাবকটি মারা যায়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে মৃত শাবকটিকে বন এলাকায় মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, হরিণগুলো যে খাঁচায় রাখা হয়েছে সেখানে পর্যাপ্ত গাছপালা না থাকায় ছায়ার অভাব রয়েছে। সেই সঙ্গে সুপেয় পানির সংকটের কারণেও বন্য প্রাণীগুলো কষ্ট পাচ্ছে। পর্যাপ্ত ছায়া ও সঠিক পরিচর্যার অভাবেই শাবকটির মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন।
শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম হরিণশাবকটির মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রচণ্ড গরমে হিটস্ট্রোকে শাবকটি মারা যেতে পারে। মৃত হরিণশাবকটি বনাঞ্চলে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন