২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনো কিছুটা সময় বাকি থাকলেও এর ঢেউ আছড়ে পড়েছে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌরসভায়। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে কোনো কমতি রাখছেন না ফুটবলপ্রেমীরা। এরই ধারাবাহিকতায় ঘোড়াশালের সরকার টেক গ্রামের ব্রাজিল সমর্থকেরা তৈরি করেছেন ৩০০ ফুট দীর্ঘ এক বিশাল পতাকা। যা ইতোমধ্যে পুরো এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রিয় দলের খেলোয়াড়দের প্রতি নিজেদের সমর্থন ও ভালোবাসা জানাতেই ব্রাজিল সমর্থকদের এই যৌথ প্রয়াস। পতাকাটি তৈরি করার পর থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ সেটি দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন। পুরো গ্রামজুড়ে এখন যেন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
ব্রাজিল ভক্ত নইমুদ্দিন বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলের অন্ধ সমর্থক। প্রিয় দলের প্রতি আমাদের এই ভালোবাসা এবং আবেগ প্রকাশ করতেই আমরা সবাই মিলে এই ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্যের বিশাল পতাকাটি তৈরি করেছি। আমাদের ইচ্ছা আছে এটিকে ১০০০ ফুটে নিয়ে যাওয়ার। আশা করছি, এবারের বিশ্বকাপ ট্রফিটা আমাদের প্রিয় দলের ঘরেই যাবে।’
বিশ্বকাপের বাঁশি বাজার আগেই ঘোড়াশালের এই ফুটবল উন্মাদনা প্রমাণ করছে যে, ভৌগোলিক দূরত্ব থাকলেও বাঙালির রক্তে ফুটবলের আবেগ কতটা মিশে আছে। মাঠের লড়াইয়ে প্রিয় দল কেমন করে, এখন সেই অপেক্ষায় স্থানীয় ফুটবল অনুরাগীরা।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনো কিছুটা সময় বাকি থাকলেও এর ঢেউ আছড়ে পড়েছে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌরসভায়। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে কোনো কমতি রাখছেন না ফুটবলপ্রেমীরা। এরই ধারাবাহিকতায় ঘোড়াশালের সরকার টেক গ্রামের ব্রাজিল সমর্থকেরা তৈরি করেছেন ৩০০ ফুট দীর্ঘ এক বিশাল পতাকা। যা ইতোমধ্যে পুরো এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রিয় দলের খেলোয়াড়দের প্রতি নিজেদের সমর্থন ও ভালোবাসা জানাতেই ব্রাজিল সমর্থকদের এই যৌথ প্রয়াস। পতাকাটি তৈরি করার পর থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ সেটি দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন। পুরো গ্রামজুড়ে এখন যেন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
ব্রাজিল ভক্ত নইমুদ্দিন বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলের অন্ধ সমর্থক। প্রিয় দলের প্রতি আমাদের এই ভালোবাসা এবং আবেগ প্রকাশ করতেই আমরা সবাই মিলে এই ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্যের বিশাল পতাকাটি তৈরি করেছি। আমাদের ইচ্ছা আছে এটিকে ১০০০ ফুটে নিয়ে যাওয়ার। আশা করছি, এবারের বিশ্বকাপ ট্রফিটা আমাদের প্রিয় দলের ঘরেই যাবে।’
বিশ্বকাপের বাঁশি বাজার আগেই ঘোড়াশালের এই ফুটবল উন্মাদনা প্রমাণ করছে যে, ভৌগোলিক দূরত্ব থাকলেও বাঙালির রক্তে ফুটবলের আবেগ কতটা মিশে আছে। মাঠের লড়াইয়ে প্রিয় দল কেমন করে, এখন সেই অপেক্ষায় স্থানীয় ফুটবল অনুরাগীরা।

আপনার মতামত লিখুন