গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ১২ বছর বয়সী এক মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে এক শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বোনারপাড়া (ফুটানীর বাজার) এলাকার জামিয়া কারিমিয়া দারুল উলুম মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে ওই ছাত্রকে ফুসলিয়ে মাদরাসার অফিস কক্ষে নিয়ে যান অভিযুক্ত শিক্ষক। সেখানে তাকে জোরপূর্বক বলাৎকারের চেষ্টা করা হলে ছাত্রটি চিৎকার শুরু করে। চিৎকার শুনে সহপাঠী ও আশপাশের লোকজন ছুটে এসে শিক্ষককে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে নিজেদের হেফাজতে নেন।
বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বলেন, "খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
মাদরাসার ভেতরে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ১২ বছর বয়সী এক মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে এক শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বোনারপাড়া (ফুটানীর বাজার) এলাকার জামিয়া কারিমিয়া দারুল উলুম মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে ওই ছাত্রকে ফুসলিয়ে মাদরাসার অফিস কক্ষে নিয়ে যান অভিযুক্ত শিক্ষক। সেখানে তাকে জোরপূর্বক বলাৎকারের চেষ্টা করা হলে ছাত্রটি চিৎকার শুরু করে। চিৎকার শুনে সহপাঠী ও আশপাশের লোকজন ছুটে এসে শিক্ষককে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে নিজেদের হেফাজতে নেন।
বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বলেন, "খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
মাদরাসার ভেতরে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন