সংবাদ

তাপপ্রবাহে প্রশান্তির খোঁজে হাজারো পর্যটক নীল জলে


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কক্সবাজার
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, কক্সবাজার
প্রকাশ: ৫ জুন ২০২৬, ০৫:৩১ পিএম

তাপপ্রবাহে প্রশান্তির খোঁজে হাজারো পর্যটক নীল জলে
সমুদ্রের ঢেউয়ে পর্যটকদের আনন্দঘন মুহূর্ত। ছবি : সংবাদ

দেশজুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন যখন ওষ্ঠাগত, তখন একটু স্বস্তি আর নির্মল প্রশান্তির খোঁজে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে ভিড় জমিয়েছেন হাজারো পর্যটক। সমুদ্রের অবিরাম গর্জন আর শীতল বাতাসে গা ভাসাতে সৈকতের সুগন্ধা, লাবণী ও কলাতলী পয়েন্টে এখন পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়।

শুক্রবার (৫ জুন) ছুটির দিনে বিকেল হতেই সৈকতের বালুকাবেলা লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। তীব্র গরম থেকে বাঁচতে পর্যটকদের বড় একটি অংশ মেতে ওঠেন সমুদ্রস্নানে। কেউ সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে মিতালি করছেন, কেউবা পরিবার-পরিজন নিয়ে বালুকাবেলায় বসে সময় কাটাচ্ছেন। শিশুদের খেলাধুলা আর তরুণ-তরুণীদের আড্ডায় পুরো সৈকত এলাকা এক উৎসবমুখর জনপদে পরিণত হয়েছে।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক দম্পতি জানান, দেশের ভেতরের অসহনীয় গরমে ঘরে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। তাই একটু প্রশান্তির আশায় সমুদ্রের তীরে আসা। সাগরের স্নিগ্ধ বাতাস আর নীল জলরাশি সব ক্লান্তি দূর করে দিচ্ছে।

পর্যটকদের এই বাড়তি উপস্থিতিতে হাসি ফুটেছে পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মুখে। সৈকত এলাকার হোটেল, মোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোতে বেড়েছে কর্মতৎপরতা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত কয়েক দিনের তুলনায় পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, যা এ খাতের জন্য ইতিবাচক।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানান, শুক্রবার কক্সবাজারে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৬০ শতাংশ। তীব্র গরম থাকলেও সাগরের শীতল হাওয়া পর্যটকদের স্বস্তি দিচ্ছে।

তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেও সমুদ্রের নীল জলরাশি আর পর্যটকদের উচ্ছ্বাসে কক্সবাজার যেন হয়ে উঠেছে বিনোদন ও প্রশান্তির এক অনন্য ঠিকানা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬


তাপপ্রবাহে প্রশান্তির খোঁজে হাজারো পর্যটক নীল জলে

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬

featured Image

দেশজুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন যখন ওষ্ঠাগত, তখন একটু স্বস্তি আর নির্মল প্রশান্তির খোঁজে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে ভিড় জমিয়েছেন হাজারো পর্যটক। সমুদ্রের অবিরাম গর্জন আর শীতল বাতাসে গা ভাসাতে সৈকতের সুগন্ধা, লাবণী ও কলাতলী পয়েন্টে এখন পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়।

শুক্রবার (৫ জুন) ছুটির দিনে বিকেল হতেই সৈকতের বালুকাবেলা লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। তীব্র গরম থেকে বাঁচতে পর্যটকদের বড় একটি অংশ মেতে ওঠেন সমুদ্রস্নানে। কেউ সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে মিতালি করছেন, কেউবা পরিবার-পরিজন নিয়ে বালুকাবেলায় বসে সময় কাটাচ্ছেন। শিশুদের খেলাধুলা আর তরুণ-তরুণীদের আড্ডায় পুরো সৈকত এলাকা এক উৎসবমুখর জনপদে পরিণত হয়েছে।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক দম্পতি জানান, দেশের ভেতরের অসহনীয় গরমে ঘরে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। তাই একটু প্রশান্তির আশায় সমুদ্রের তীরে আসা। সাগরের স্নিগ্ধ বাতাস আর নীল জলরাশি সব ক্লান্তি দূর করে দিচ্ছে।

পর্যটকদের এই বাড়তি উপস্থিতিতে হাসি ফুটেছে পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মুখে। সৈকত এলাকার হোটেল, মোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোতে বেড়েছে কর্মতৎপরতা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত কয়েক দিনের তুলনায় পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, যা এ খাতের জন্য ইতিবাচক।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানান, শুক্রবার কক্সবাজারে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৬০ শতাংশ। তীব্র গরম থাকলেও সাগরের শীতল হাওয়া পর্যটকদের স্বস্তি দিচ্ছে।

তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেও সমুদ্রের নীল জলরাশি আর পর্যটকদের উচ্ছ্বাসে কক্সবাজার যেন হয়ে উঠেছে বিনোদন ও প্রশান্তির এক অনন্য ঠিকানা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত