যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে একটি কাঠামোগত চুক্তির ঘোষণা আসার পর ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে শুরু করেছে। জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো।
পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা দিয়েছে। এছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, চুক্তির অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আবারও আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
জানা যায়, চুক্তির খবর প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৩ দশমিক ২৪ ডলারে নেমে আসে। একইসঙ্গে এশিয়া ও ইউরোপের প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে বড় ধরনের উত্থান দেখা যায়। জাপানের নিক্কেই-২২৫ সূচক ৫ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচক ৫ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে দিনের লেনদেন শেষ করে। ইউরোপের বাজারেও ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। জার্মানির ড্যাক্স ও ফ্রান্সের ক্যাক-৪০ সূচক প্রায় ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। লন্ডনের এফটিএসই-১০০ সূচকও ঊর্ধ্বমুখী ছিল।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করা পাকিস্তান জানিয়েছে আগামী ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে পারে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘তেল প্রবাহ আবার শুরু হোক’।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক মাসে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করে দেয়। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই রুট দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় তেলের দাম একসময় ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার পর্যন্ত উঠে যায়।
তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, চুক্তি হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। হরমুজ প্রণালিতে পাতা মাইন অপসারণ, আটকে থাকা তেলবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা এবং উৎপাদন পুরোপুরি পুনরায় চালু করতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে একটি কাঠামোগত চুক্তির ঘোষণা আসার পর ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে শুরু করেছে। জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো।
পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা দিয়েছে। এছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, চুক্তির অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আবারও আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
জানা যায়, চুক্তির খবর প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৩ দশমিক ২৪ ডলারে নেমে আসে। একইসঙ্গে এশিয়া ও ইউরোপের প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে বড় ধরনের উত্থান দেখা যায়। জাপানের নিক্কেই-২২৫ সূচক ৫ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচক ৫ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে দিনের লেনদেন শেষ করে। ইউরোপের বাজারেও ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। জার্মানির ড্যাক্স ও ফ্রান্সের ক্যাক-৪০ সূচক প্রায় ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। লন্ডনের এফটিএসই-১০০ সূচকও ঊর্ধ্বমুখী ছিল।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করা পাকিস্তান জানিয়েছে আগামী ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে পারে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘তেল প্রবাহ আবার শুরু হোক’।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক মাসে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করে দেয়। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই রুট দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় তেলের দাম একসময় ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার পর্যন্ত উঠে যায়।
তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, চুক্তি হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। হরমুজ প্রণালিতে পাতা মাইন অপসারণ, আটকে থাকা তেলবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা এবং উৎপাদন পুরোপুরি পুনরায় চালু করতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন