যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য তাদের ভ্রমণ সতর্কতা বা ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি শিথিল করেছে। দেশটি বাংলাদেশের সামগ্রিক ভ্রমণ সতর্কতা লেভেল-৩ বা পুনর্বিবেচনার পর্যায় থেকে কমিয়ে লেভেল-২ অর্থাৎ অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের স্তরে নামিয়ে এনেছে।
এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে বাংলাদেশ এখন ভ্রমণের জন্য আগের তুলনায় আরও নিরাপদ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি ঢাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গর-এর মধ্যে একটি ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সার্জিও গর একটি খুদে বার্তার মাধ্যমে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই ইতিবাচক অগ্রগতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেন। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রমণ সতর্কতা হ্রাসের এই বিষয়টিকে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর মার্কিন আস্থার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছে সরকার।
সরকারের মতে, গত ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে দৃশ্যমান উন্নতি ঘটেছে, এটি তারই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত ঢাকা ও ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় ও ইতিবাচক ধারায় এগিয়ে নেবে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য তাদের ভ্রমণ সতর্কতা বা ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি শিথিল করেছে। দেশটি বাংলাদেশের সামগ্রিক ভ্রমণ সতর্কতা লেভেল-৩ বা পুনর্বিবেচনার পর্যায় থেকে কমিয়ে লেভেল-২ অর্থাৎ অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের স্তরে নামিয়ে এনেছে।
এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে বাংলাদেশ এখন ভ্রমণের জন্য আগের তুলনায় আরও নিরাপদ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি ঢাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গর-এর মধ্যে একটি ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সার্জিও গর একটি খুদে বার্তার মাধ্যমে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই ইতিবাচক অগ্রগতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেন। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রমণ সতর্কতা হ্রাসের এই বিষয়টিকে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর মার্কিন আস্থার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছে সরকার।
সরকারের মতে, গত ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে দৃশ্যমান উন্নতি ঘটেছে, এটি তারই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত ঢাকা ও ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় ও ইতিবাচক ধারায় এগিয়ে নেবে।

আপনার মতামত লিখুন