বান্দরবানের সাঙ্গু নদী ও ঝংকা খালের তীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ স্থাপনের কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এতে ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, পুলিশ ফাঁড়ি ও বসতবাড়ি রক্ষা পাবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সদর উপজেলার ৩ নম্বর বান্দরবান সদর ইউনিয়নের গোয়ালিয়াখোলা এলাকায় সাঙ্গু নদীর তীরে এবং ১ নম্বর রাজবিলা ইউনিয়নের পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন ঝংকা খালের ডান তীরে এই প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পাউবো সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে গোয়ালিয়াখোলা ও রাজবিলা এলাকায় পৃথক দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে এই জিও ব্যাগ স্থাপন করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতি বর্ষায় নদী ও খালের পাড় ভেঙে বসতবাড়ি ও কৃষিজমি বিলীন হয়ে যাচ্ছিল। পাউবোর এই উদ্যোগের ফলে এখন শ্মশান, কবরস্থান, মসজিদ ও বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সুরক্ষার আওতায় এসেছে। সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অংসাহ্লা বলেন, পাউবোর এই কাজ স্থানীয়দের জন্য অনেক উপকারে আসবে। তবে গোয়ালিয়াখোলা এলাকায় আরও ৫০০ মিটার এবং রাজবিলায় অতিরিক্ত ৭০ মিটার কাজ করা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব বলেন, "সাঙ্গু ও ঝংকার ভাঙন রোধে আমরা জিও ব্যাগ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছি। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ অনেক স্থাপনা ও জনপদ রক্ষা পাবে। স্থানীয়দের চাহিদা অনুযায়ী অবশিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর জন্যও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে।"
/

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
বান্দরবানের সাঙ্গু নদী ও ঝংকা খালের তীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ স্থাপনের কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এতে ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, পুলিশ ফাঁড়ি ও বসতবাড়ি রক্ষা পাবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সদর উপজেলার ৩ নম্বর বান্দরবান সদর ইউনিয়নের গোয়ালিয়াখোলা এলাকায় সাঙ্গু নদীর তীরে এবং ১ নম্বর রাজবিলা ইউনিয়নের পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন ঝংকা খালের ডান তীরে এই প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পাউবো সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে গোয়ালিয়াখোলা ও রাজবিলা এলাকায় পৃথক দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে এই জিও ব্যাগ স্থাপন করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতি বর্ষায় নদী ও খালের পাড় ভেঙে বসতবাড়ি ও কৃষিজমি বিলীন হয়ে যাচ্ছিল। পাউবোর এই উদ্যোগের ফলে এখন শ্মশান, কবরস্থান, মসজিদ ও বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সুরক্ষার আওতায় এসেছে। সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অংসাহ্লা বলেন, পাউবোর এই কাজ স্থানীয়দের জন্য অনেক উপকারে আসবে। তবে গোয়ালিয়াখোলা এলাকায় আরও ৫০০ মিটার এবং রাজবিলায় অতিরিক্ত ৭০ মিটার কাজ করা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব বলেন, "সাঙ্গু ও ঝংকার ভাঙন রোধে আমরা জিও ব্যাগ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছি। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ অনেক স্থাপনা ও জনপদ রক্ষা পাবে। স্থানীয়দের চাহিদা অনুযায়ী অবশিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর জন্যও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে।"
/

আপনার মতামত লিখুন