ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে গত ৭ দিনে অন্তত ৫ বার পুশইনের (অনুপ্রবেশ) চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রতিবারই বিজিবি তা প্রতিহত করেছে। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মহেশপুর সীমান্তে এখন দিনরাত বিশেষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।
মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১২টি বর্ডার অবজারভেশন পোস্টের (বিওপি) মধ্যে যাদবপুর, সামন্তা, মাটিলা, বাঘাডাঙ্গা ও খোশালপুর এলাকা পুশইনের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এই উপজেলার সঙ্গে ভারতের ৭৮ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ১০ কিলোমিটার এলাকা এখনো কাঁটাতারহীন। ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা ও নদীয়া জেলা সংলগ্ন এই অরক্ষিত এলাকা দিয়েই বিএসএফ বারবার অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে।
বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সদস্যরা বিশেষ টহল, হ্যান্ড মাইকে সতর্কীকরণ ও ঝোপঝাড়ের আড়ালে অবস্থান নিয়ে নজরদারি বাড়িয়েছেন। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন গ্রাম পুলিশ ও আনসার সদস্যরাও।
সরেজমিনে যাদবপুর ও মাটিলা সীমান্ত এলাকায় দেখা গেছে, বিজিবি সদস্যরা হ্যান্ড মাইক ও বাঁশি নিয়ে শূন্য রেখায় টহল দিচ্ছেন। স্থানীয়রা জানান, বিএসএফ সদস্যরা রাতের অন্ধকারে কাঁটাতারের গেট খুলে মানুষ পাঠানোর চেষ্টা করলে গ্রামবাসী শোরগোল ও টর্চের আলো ফেলে তা রুখে দিচ্ছেন।
যাদবপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের কৃষক হারুন অর রশীদ বলেন, ‘বিএসএফ বড় গাড়িতে করে কাঁটাতারের কাছে অনেক লোক এনে জড়ো করেছিল। রাতে আলো নিভিয়ে গেট খুলে তাদের পুশইনের চেষ্টা করলেও আমরা সবাই মিলে প্রতিরোধ করেছি।’
মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মো. রফিকুল আলম বলেন, ‘বিএসএফ পাঁচ দফায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল। আমাদের সৈনিকরা সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকায় তারা সফল হতে পারেনি। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা কোনো ছাড় দেব না।’
/

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে গত ৭ দিনে অন্তত ৫ বার পুশইনের (অনুপ্রবেশ) চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রতিবারই বিজিবি তা প্রতিহত করেছে। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মহেশপুর সীমান্তে এখন দিনরাত বিশেষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।
মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১২টি বর্ডার অবজারভেশন পোস্টের (বিওপি) মধ্যে যাদবপুর, সামন্তা, মাটিলা, বাঘাডাঙ্গা ও খোশালপুর এলাকা পুশইনের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এই উপজেলার সঙ্গে ভারতের ৭৮ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ১০ কিলোমিটার এলাকা এখনো কাঁটাতারহীন। ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা ও নদীয়া জেলা সংলগ্ন এই অরক্ষিত এলাকা দিয়েই বিএসএফ বারবার অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে।
বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সদস্যরা বিশেষ টহল, হ্যান্ড মাইকে সতর্কীকরণ ও ঝোপঝাড়ের আড়ালে অবস্থান নিয়ে নজরদারি বাড়িয়েছেন। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন গ্রাম পুলিশ ও আনসার সদস্যরাও।
সরেজমিনে যাদবপুর ও মাটিলা সীমান্ত এলাকায় দেখা গেছে, বিজিবি সদস্যরা হ্যান্ড মাইক ও বাঁশি নিয়ে শূন্য রেখায় টহল দিচ্ছেন। স্থানীয়রা জানান, বিএসএফ সদস্যরা রাতের অন্ধকারে কাঁটাতারের গেট খুলে মানুষ পাঠানোর চেষ্টা করলে গ্রামবাসী শোরগোল ও টর্চের আলো ফেলে তা রুখে দিচ্ছেন।
যাদবপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের কৃষক হারুন অর রশীদ বলেন, ‘বিএসএফ বড় গাড়িতে করে কাঁটাতারের কাছে অনেক লোক এনে জড়ো করেছিল। রাতে আলো নিভিয়ে গেট খুলে তাদের পুশইনের চেষ্টা করলেও আমরা সবাই মিলে প্রতিরোধ করেছি।’
মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মো. রফিকুল আলম বলেন, ‘বিএসএফ পাঁচ দফায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল। আমাদের সৈনিকরা সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকায় তারা সফল হতে পারেনি। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা কোনো ছাড় দেব না।’
/

আপনার মতামত লিখুন