নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষ্যা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আরও এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের পাশে মেঘনা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার করার সময় নিহত ব্যক্তির শরীরে পুলিশের একটি ‘ভেস্ট’ ছিল।
নিহতের নাম মো. আবদুল লতিফ (৩৫)। তিনি নিলক্ষ্যা ইউনিয়নের বীরগাঁও কান্দাপাড়া এলাকার শহীদ মিয়ার ছেলে। স্থানীয় লোকজনের দাবি, এ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার-এ। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বলেন, গোপীনাথপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
তিনি আরও জানান, সংঘর্ষের সময় এক পক্ষ প্রতিপক্ষের লোকজনকে হত্যা করে মরদেহগুলো নৌকাযোগে অজ্ঞাত স্থানে ফেলে দিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখন সেগুলো পর্যায়ক্রমে নদীতে ভেসে উঠছে। স্থানীয়দের মতে আরও অনেকে নিখোঁজ থাকতে পারেন।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) নিলক্ষ্যা ইউনিয়নে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ওই দিন সোনাকান্দি এলাকার বুলবুল মিয়া (৩৫) এবং পূর্বপাড়া এলাকার অনিক মিয়া (২২) নামের দুজনের মৃত্যু হয়।
পরদিন বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার জিৎরামপুর এলাকা থেকে কাউছার মিয়া (৩৫) নামের এক প্রবাসীর টেঁটাবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আজ উদ্ধার করা হলো আবদুল লতিফের মরদেহ। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন