সংবাদ

বিশ্বমঞ্চে কঙ্গোর গোল, নিষ্প্রভ রোনালদোর পর্তুগাল


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০৪ এএম

বিশ্বমঞ্চে কঙ্গোর গোল, নিষ্প্রভ রোনালদোর পর্তুগাল

চলতি বিশ্বকাপে পর্তুগালের শুরুটা হয়েছিল ঝোড়ো গতিতে, কিন্তু কঙ্গোর অদম্য রূপের সামনে শেষ পর্যন্ত তা এক রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। ম্যাচের বয়স তখন মাত্র ৫ মিনিট ৩২ সেকেন্ড। জোয়াও কানসেলোর বাড়ানো এক বিপজ্জনক ক্রসে পেনাল্টি এরিয়ায় বল ভেসে আসে। সেখান থেকে পেদ্রো নেতোর নিখুঁত হেড ক্রসের সুবাদে পর্তুগাল স্কোয়াডের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় নেভেস দারুণ এক লাফিয়ে হেড করে বল জালে জড়ান।

চলতি ফুটবল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দ্রুততম গোলের দেখা পেয়ে পর্তুগিজ শিবিরে উল্লাস নেমে আসে। পর্তুগাল এগিয়ে যায় ১-০ ব্যবধানে।

​শুরুতেই গোল খেয়ে দমে না গিয়ে পাল্টা জবাব দিতে মরিয়া হয়ে ওঠে কঙ্গো। ম্যাচের দশম মিনিটে তারা প্রথম গোছানো আক্রমণে যায়। ডিফেন্স ভেঙে জায়গা বের করে উইসা লক্ষ্য বরাবর একটি জোরালো শট নেন, যা অল্পের জন্য গোলপোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এর ঠিক দুই মিনিট পরেই আরেকটি সুযোগ তৈরি করে কঙ্গো। এবার বক্সের প্রান্ত থেকে বাকাম্বুর নেওয়া একটি দারুণ শট পর্তুগিজ ডিফেন্ডার আরাউজো ব্লক করে দলকে বিপদমুক্ত করেন।

​টানা এই দুটি আক্রমণ কঙ্গো শিবিরে চমক দেখানোর বড় আত্মবিশ্বাস এনে দেয়। সেই আত্মবিশ্বাসের চমৎকার এক শেষ দেখা যায় প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে। হাফটাইমের বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে ম্যাচ সমতায় ফেরায় কঙ্গো। মাসুয়াকুর নিখুঁত একটি ক্রস থেকে উইসা দারুণ হেডে পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তাকে পরাস্ত করেন। এর মাধ্যমে নিজেদের ৫২ বছরের দীর্ঘ বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম গোলের দেখা পেয়ে ফুটবল বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয় কঙ্গো।

​পর্তুগাল প্রথমার্ধে লিড হারালেও দলের সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ছিলেন একেবারেই নিজের ছায়া হয়ে।

প্রথমার্ধের পুরোটা সময় মাঠের খেলায় তাকে বেশ বিবর্ণ দেখিয়েছে। প্রথম ৪৫ মিনিটে তিনি মাত্র ১৭ বার বলে পা লাগাতে পেরেছেন, যা পর্তুগাল দলের অন্য যেকোনো খেলোয়াড়ের চেয়ে সবচেয়ে কম। এক পক্ষের আনন্দের দিনে অন্য পক্ষে রোনালদোর এমন নিষ্প্রভ পারফরম্যান্স ম্যাচটিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬


বিশ্বমঞ্চে কঙ্গোর গোল, নিষ্প্রভ রোনালদোর পর্তুগাল

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬

featured Image

চলতি বিশ্বকাপে পর্তুগালের শুরুটা হয়েছিল ঝোড়ো গতিতে, কিন্তু কঙ্গোর অদম্য রূপের সামনে শেষ পর্যন্ত তা এক রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। ম্যাচের বয়স তখন মাত্র ৫ মিনিট ৩২ সেকেন্ড। জোয়াও কানসেলোর বাড়ানো এক বিপজ্জনক ক্রসে পেনাল্টি এরিয়ায় বল ভেসে আসে। সেখান থেকে পেদ্রো নেতোর নিখুঁত হেড ক্রসের সুবাদে পর্তুগাল স্কোয়াডের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় নেভেস দারুণ এক লাফিয়ে হেড করে বল জালে জড়ান।

চলতি ফুটবল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দ্রুততম গোলের দেখা পেয়ে পর্তুগিজ শিবিরে উল্লাস নেমে আসে। পর্তুগাল এগিয়ে যায় ১-০ ব্যবধানে।

​শুরুতেই গোল খেয়ে দমে না গিয়ে পাল্টা জবাব দিতে মরিয়া হয়ে ওঠে কঙ্গো। ম্যাচের দশম মিনিটে তারা প্রথম গোছানো আক্রমণে যায়। ডিফেন্স ভেঙে জায়গা বের করে উইসা লক্ষ্য বরাবর একটি জোরালো শট নেন, যা অল্পের জন্য গোলপোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এর ঠিক দুই মিনিট পরেই আরেকটি সুযোগ তৈরি করে কঙ্গো। এবার বক্সের প্রান্ত থেকে বাকাম্বুর নেওয়া একটি দারুণ শট পর্তুগিজ ডিফেন্ডার আরাউজো ব্লক করে দলকে বিপদমুক্ত করেন।

​টানা এই দুটি আক্রমণ কঙ্গো শিবিরে চমক দেখানোর বড় আত্মবিশ্বাস এনে দেয়। সেই আত্মবিশ্বাসের চমৎকার এক শেষ দেখা যায় প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে। হাফটাইমের বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে ম্যাচ সমতায় ফেরায় কঙ্গো। মাসুয়াকুর নিখুঁত একটি ক্রস থেকে উইসা দারুণ হেডে পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তাকে পরাস্ত করেন। এর মাধ্যমে নিজেদের ৫২ বছরের দীর্ঘ বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম গোলের দেখা পেয়ে ফুটবল বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয় কঙ্গো।

​পর্তুগাল প্রথমার্ধে লিড হারালেও দলের সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ছিলেন একেবারেই নিজের ছায়া হয়ে।

প্রথমার্ধের পুরোটা সময় মাঠের খেলায় তাকে বেশ বিবর্ণ দেখিয়েছে। প্রথম ৪৫ মিনিটে তিনি মাত্র ১৭ বার বলে পা লাগাতে পেরেছেন, যা পর্তুগাল দলের অন্য যেকোনো খেলোয়াড়ের চেয়ে সবচেয়ে কম। এক পক্ষের আনন্দের দিনে অন্য পক্ষে রোনালদোর এমন নিষ্প্রভ পারফরম্যান্স ম্যাচটিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত