সংবাদ

লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছেন ট্রাম্পের দূত


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:২৭ এএম

লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছেন ট্রাম্পের দূত

লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) কার্যকর হওয়া এই সমঝোতার মাধ্যমে সংঘাতের নতুন উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অন্তর্র্বতী চুক্তিকে দীর্ঘমেয়াদি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি উদ্যোগে রূপ দেওয়ার সম্ভাবনাকে হুমকির মুখে ফেলেছিল। জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ সম্ভাব্য পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে ইরানের সঙ্গে প্রথম দফার আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছেন। মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাক্সিওস।

এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেন। লেবাননে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছিল। ওই উত্তেজনা হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে চলা আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল।

ট্রাম্প এনবিসি নিউজকে জানান, তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে কথা বলে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।তিনি বলেন, কখনো কখনো শান্ত হতে হয় এবং মাথা খাটাতে হয়।

তবে তিনি সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেছেন কি না, সে বিষয়ে মন্তব্য করেননি।

এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় সময় বিকাল ৪টার দিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এর আগে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের সহায়তায় এই সমঝোতা চূড়ান্ত করেন।

হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ দুটি সূত্র এবং এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তাও যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইসরায়েলি ওই কর্মকর্তা বলেন, হিজবুল্লাহ যদি আমাদের ওপর হামলা না চালায়, তাহলে আমাদের জন্য এটি যুদ্ধের সময় নয়।

তবে তিনি জানান, দক্ষিণ লেবাননে সীমান্তবর্তী এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী অবস্থান বজায় রাখবে।

লেবাননের নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রথম ঘণ্টায় ইসরায়েল অন্তত ১২টি বিমান হামলা চালায়। তবে বিকাল ৫টার পর আর কোনো হামলার খবর পাওয়া যায়নি।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ভোরের পর চালানো ইসরায়েলি হামলায় ৪৭ জন নিহত এবং ৯৭ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লেবাননে এক ঘটনায় তাদের চার সেনা নিহত হয়েছে।

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রেসিডেন্টদের স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বেশ কয়েকটি জটিল বিষয় পরবর্তী আলোচনার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে দুই পক্ষকে ৬০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা শুরুর প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। তবে হোয়াইট হাউস বৃহস্পতিবার জানায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স এতে অংশ নেবেন না।

সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনা আপাতত স্থগিত হলেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে এবং সুইজারল্যান্ড মধ্যস্থতায় প্রস্তুত রয়েছে।

অন্তর্র্বতী চুক্তির অন্যতম শর্ত হলো, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং তাদের মিত্ররা লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধ করবে। তবে আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত না থাকা ইসরায়েল বলেছে, তারা এই চুক্তির পক্ষ নয়।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি শুক্রবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে বলেন, লেবাননে সংঘাত বন্ধসহ চুক্তির শর্ত লঙ্ঘিত হলে তার দায় যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ এখন পর্যন্ত অন্তত ৭ হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, যাদের অধিকাংশই ইরান ও লেবাননের নাগরিক।

যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। তবে লেবাননে যুদ্ধবিরতির পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কিছুটা বাড়লেও সপ্তাহজুড়ে প্রায় ৮ শতাংশ কমার পথে রয়েছে।

চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। যুদ্ধের আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।

ইরানের হরমুজ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অন্তর্র্বতী আলোচনার পুরো সময়কালে তারা প্রণালি ব্যবহারে পরিকল্পিত ফি মওকুফ করবে।

চুক্তিতে ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, কয়েক দশক বিলিয়ন ডলারের জব্দ সম্পদ মুক্ত করা এবং তেল রফতানিতে তাৎক্ষণিক মার্কিন ছাড় দেওয়ার বিষয়ও রয়েছে। এছাড়া ইরানের পুনর্গঠনের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ওয়াশিংটনে চুক্তিটি নিয়ে সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। কংগ্রেসে ট্রাম্পের নিজ দলের কিছু সদস্যও মনে করছেন, যুদ্ধ বন্ধ করতে গিয়ে তিনি ইরানকে অতিরিক্ত ছাড় দিয়েছেন।

সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, যুদ্ধ ইরানকে দুর্বল করে দিয়েছে। আমরা মরিয়া হয়ে আলোচনায় বসিনি, ইরান বসেছে। তারা শেষ হয়ে গেছে। ৬০ দিন আমরা দেখব কী হয়। তারা কোনো অর্থ পাবে না, এক সেন্টও নয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬


লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছেন ট্রাম্পের দূত

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬

featured Image

লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) কার্যকর হওয়া এই সমঝোতার মাধ্যমে সংঘাতের নতুন উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অন্তর্র্বতী চুক্তিকে দীর্ঘমেয়াদি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি উদ্যোগে রূপ দেওয়ার সম্ভাবনাকে হুমকির মুখে ফেলেছিল। জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ সম্ভাব্য পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে ইরানের সঙ্গে প্রথম দফার আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছেন। মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাক্সিওস।

এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেন। লেবাননে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছিল। ওই উত্তেজনা হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে চলা আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল।

ট্রাম্প এনবিসি নিউজকে জানান, তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে কথা বলে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।তিনি বলেন, কখনো কখনো শান্ত হতে হয় এবং মাথা খাটাতে হয়।

তবে তিনি সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেছেন কি না, সে বিষয়ে মন্তব্য করেননি।

এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় সময় বিকাল ৪টার দিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এর আগে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের সহায়তায় এই সমঝোতা চূড়ান্ত করেন।

হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ দুটি সূত্র এবং এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তাও যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইসরায়েলি ওই কর্মকর্তা বলেন, হিজবুল্লাহ যদি আমাদের ওপর হামলা না চালায়, তাহলে আমাদের জন্য এটি যুদ্ধের সময় নয়।

তবে তিনি জানান, দক্ষিণ লেবাননে সীমান্তবর্তী এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী অবস্থান বজায় রাখবে।

লেবাননের নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রথম ঘণ্টায় ইসরায়েল অন্তত ১২টি বিমান হামলা চালায়। তবে বিকাল ৫টার পর আর কোনো হামলার খবর পাওয়া যায়নি।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ভোরের পর চালানো ইসরায়েলি হামলায় ৪৭ জন নিহত এবং ৯৭ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লেবাননে এক ঘটনায় তাদের চার সেনা নিহত হয়েছে।

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রেসিডেন্টদের স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বেশ কয়েকটি জটিল বিষয় পরবর্তী আলোচনার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে দুই পক্ষকে ৬০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা শুরুর প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। তবে হোয়াইট হাউস বৃহস্পতিবার জানায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স এতে অংশ নেবেন না।

সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনা আপাতত স্থগিত হলেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে এবং সুইজারল্যান্ড মধ্যস্থতায় প্রস্তুত রয়েছে।

অন্তর্র্বতী চুক্তির অন্যতম শর্ত হলো, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং তাদের মিত্ররা লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধ করবে। তবে আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত না থাকা ইসরায়েল বলেছে, তারা এই চুক্তির পক্ষ নয়।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি শুক্রবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে বলেন, লেবাননে সংঘাত বন্ধসহ চুক্তির শর্ত লঙ্ঘিত হলে তার দায় যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ এখন পর্যন্ত অন্তত ৭ হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, যাদের অধিকাংশই ইরান ও লেবাননের নাগরিক।

যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। তবে লেবাননে যুদ্ধবিরতির পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কিছুটা বাড়লেও সপ্তাহজুড়ে প্রায় ৮ শতাংশ কমার পথে রয়েছে।

চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। যুদ্ধের আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।

ইরানের হরমুজ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অন্তর্র্বতী আলোচনার পুরো সময়কালে তারা প্রণালি ব্যবহারে পরিকল্পিত ফি মওকুফ করবে।

চুক্তিতে ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, কয়েক দশক বিলিয়ন ডলারের জব্দ সম্পদ মুক্ত করা এবং তেল রফতানিতে তাৎক্ষণিক মার্কিন ছাড় দেওয়ার বিষয়ও রয়েছে। এছাড়া ইরানের পুনর্গঠনের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ওয়াশিংটনে চুক্তিটি নিয়ে সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। কংগ্রেসে ট্রাম্পের নিজ দলের কিছু সদস্যও মনে করছেন, যুদ্ধ বন্ধ করতে গিয়ে তিনি ইরানকে অতিরিক্ত ছাড় দিয়েছেন।

সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, যুদ্ধ ইরানকে দুর্বল করে দিয়েছে। আমরা মরিয়া হয়ে আলোচনায় বসিনি, ইরান বসেছে। তারা শেষ হয়ে গেছে। ৬০ দিন আমরা দেখব কী হয়। তারা কোনো অর্থ পাবে না, এক সেন্টও নয়।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত