সৌদি আরবে হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৬০ হাজার ৫৮৮ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। এ বছর হজে গিয়ে এ পর্যন্ত ৫৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সবশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ২টা পর্যন্ত মোট ফিরতি ফ্লাইটের সংখ্যা ১৫২টি। এসব ফ্লাইটে সরকারি মাধ্যমে যাওয়া হাজিদের মধ্যে ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি মাধ্যমের ৫৬ হাজার ২৬৯ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৭৬টি ফ্লাইটে ২৬ হাজার ৮৬৮ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৫৪টি ফ্লাইটে ২১ হাজার ৪৫ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ৪ হাজার ৩ জন হাজি ফিরেছেন।
৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়ে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে। এ বছর হজে সাড়ে ৮২ হাজার বাংলাদেশি অংশ নেন। গত ২৬ মে হজ অনুষ্ঠিত হয়।
এখন পর্যন্ত মৃত ৫৪ জনের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। মক্কায় মারা গেছেন ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন। মিনা, আরাফা, মুজদালিফা ও জেদ্দায় কোনো মৃত্যুর তথ্য নেই।
সর্বশেষ গত মঙ্গলবার কুমিল্লার দেবিদ্বারের বাসিন্দা আকলিমা আক্তার মদিনায় মারা যান। ৪৪ বছর বয়সী এই হাজি ১৯ মে বিমানের ফ্লাইটে জেদ্দায় পৌঁছান।
গত বছর হজে ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০২৩ সালে মারা যান ১২১ জন, যা কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
সৌদি আরবের চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত ৬৬ হাজার ২৪৯টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়েছে। ৪১৫ জন হাজি স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ১৫ জন হাজি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বছর ধর্ম মন্ত্রণালয় অনুমোদিত ৩০টি লিড হজ এজেন্সির আওতায় সরকারি কোটায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি কোটায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী অংশ নেন।
১৮ এপ্রিল প্রথম প্রাক-হজ ফ্লাইট ঢাকা ছাড়ে এবং শেষ ফ্লাইট পৌঁছায় ২১ মে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
সৌদি আরবে হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৬০ হাজার ৫৮৮ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। এ বছর হজে গিয়ে এ পর্যন্ত ৫৪ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সবশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ২টা পর্যন্ত মোট ফিরতি ফ্লাইটের সংখ্যা ১৫২টি। এসব ফ্লাইটে সরকারি মাধ্যমে যাওয়া হাজিদের মধ্যে ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি মাধ্যমের ৫৬ হাজার ২৬৯ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৭৬টি ফ্লাইটে ২৬ হাজার ৮৬৮ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৫৪টি ফ্লাইটে ২১ হাজার ৪৫ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ৪ হাজার ৩ জন হাজি ফিরেছেন।
৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়ে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে। এ বছর হজে সাড়ে ৮২ হাজার বাংলাদেশি অংশ নেন। গত ২৬ মে হজ অনুষ্ঠিত হয়।
এখন পর্যন্ত মৃত ৫৪ জনের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। মক্কায় মারা গেছেন ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন। মিনা, আরাফা, মুজদালিফা ও জেদ্দায় কোনো মৃত্যুর তথ্য নেই।
সর্বশেষ গত মঙ্গলবার কুমিল্লার দেবিদ্বারের বাসিন্দা আকলিমা আক্তার মদিনায় মারা যান। ৪৪ বছর বয়সী এই হাজি ১৯ মে বিমানের ফ্লাইটে জেদ্দায় পৌঁছান।
গত বছর হজে ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০২৩ সালে মারা যান ১২১ জন, যা কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
সৌদি আরবের চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত ৬৬ হাজার ২৪৯টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়েছে। ৪১৫ জন হাজি স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ১৫ জন হাজি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বছর ধর্ম মন্ত্রণালয় অনুমোদিত ৩০টি লিড হজ এজেন্সির আওতায় সরকারি কোটায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি কোটায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী অংশ নেন।
১৮ এপ্রিল প্রথম প্রাক-হজ ফ্লাইট ঢাকা ছাড়ে এবং শেষ ফ্লাইট পৌঁছায় ২১ মে।

আপনার মতামত লিখুন