ম্যাচের শুরু থেকেই হাইতি বেশ গোছানো রক্ষণভাগ নিয়ে ব্রাজিলকে আটকে রাখার চেষ্টা করে। প্রথম ২০ মিনিটে তারা সফল হলেও ২৩ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট হাইতির গোলরক্ষক আলেক্সান্দ্রে প্লাসিদ ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারলে ডিফেন্ডার ডেলক্রোয়ার ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেন।
তবে বলটি কুনহার গায়ে লেগে ফাঁকা জালে জড়িয়ে গেলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। এর আগে ১২ মিনিটে রাফিনিয়ার একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। প্রথম গোলের পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ব্রাজিল। ৩৬ মিনিটে মাঝমাঠে বল কেড়ে নিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে যান ভিনিসিয়ুস। তার নিখুঁত পাস থেকে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড কুনহা।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে লুকাস পাকেতার লং পাস ধরে গোলরক্ষককে কাটিয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ফলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধে হাইতি ব্যবধান কমানোর কিছু চেষ্টা চালায়। ম্যাচের ৬৩ মিনিটে কর্নার থেকে আদের একটি শক্তিশালী হেড দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার। অন্যদিকে ব্রাজিলও ব্যবধান বাড়ানোর বেশ কিছু সুযোগ হাতছাড়া করে।
৬৯ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির শট ক্রসবারে লাগে এবং ৭৮ মিনিটে বদলি নামা এনদ্রিক গোল করলেও সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল ঘোষণা করা হয়। ম্যাচের শেষদিকে কোচ আনচেলত্তি কুনহা, পাকেতা ও ভিনিসিয়ুসকে তুলে নিলেও খেলার নিয়ন্ত্রণ ব্রাজিলের হাতেই ছিল।
এই জয়ের ফলে গ্রুপ 'সি' থেকে চার পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে মরক্কোকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে ব্রাজিল। অন্যদিকে টানা দুই হারে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের মুখে পড়েছে হাইতি। সেই সাথে বিশ্বকাপে তিন বা তার বেশি গোল করার রেকর্ডে জার্মানিকে ছাড়িয়ে নিজেদের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল সেলেসাওরা।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
ম্যাচের শুরু থেকেই হাইতি বেশ গোছানো রক্ষণভাগ নিয়ে ব্রাজিলকে আটকে রাখার চেষ্টা করে। প্রথম ২০ মিনিটে তারা সফল হলেও ২৩ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট হাইতির গোলরক্ষক আলেক্সান্দ্রে প্লাসিদ ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারলে ডিফেন্ডার ডেলক্রোয়ার ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেন।
তবে বলটি কুনহার গায়ে লেগে ফাঁকা জালে জড়িয়ে গেলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। এর আগে ১২ মিনিটে রাফিনিয়ার একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। প্রথম গোলের পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ব্রাজিল। ৩৬ মিনিটে মাঝমাঠে বল কেড়ে নিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে যান ভিনিসিয়ুস। তার নিখুঁত পাস থেকে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড কুনহা।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে লুকাস পাকেতার লং পাস ধরে গোলরক্ষককে কাটিয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ফলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধে হাইতি ব্যবধান কমানোর কিছু চেষ্টা চালায়। ম্যাচের ৬৩ মিনিটে কর্নার থেকে আদের একটি শক্তিশালী হেড দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার। অন্যদিকে ব্রাজিলও ব্যবধান বাড়ানোর বেশ কিছু সুযোগ হাতছাড়া করে।
৬৯ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির শট ক্রসবারে লাগে এবং ৭৮ মিনিটে বদলি নামা এনদ্রিক গোল করলেও সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল ঘোষণা করা হয়। ম্যাচের শেষদিকে কোচ আনচেলত্তি কুনহা, পাকেতা ও ভিনিসিয়ুসকে তুলে নিলেও খেলার নিয়ন্ত্রণ ব্রাজিলের হাতেই ছিল।
এই জয়ের ফলে গ্রুপ 'সি' থেকে চার পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে মরক্কোকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে ব্রাজিল। অন্যদিকে টানা দুই হারে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের মুখে পড়েছে হাইতি। সেই সাথে বিশ্বকাপে তিন বা তার বেশি গোল করার রেকর্ডে জার্মানিকে ছাড়িয়ে নিজেদের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল সেলেসাওরা।

আপনার মতামত লিখুন