মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী শুক্রবারের আগেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার ঐতিহাসিক চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সোমবার (১৫ জুন) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেডি ভ্যান্স
জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ নেতারা ইতোমধ্যে চুক্তিটিতে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে
(ডিজিটালি) স্বাক্ষর সম্পন্ন করেছেন। আগামী শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে সামনাসামনি চুক্তিটি
স্বাক্ষরের জন্য একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এর আগেই ট্রাম্প প্রশাসন চুক্তির
পুরো পাঠ বা মূল দলিলটি জনসমক্ষে প্রকাশ করার ইঙ্গিত দিয়েছে।
এর আগে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের
মধ্যে হওয়া এই সমঝোতাকে একটি ‘চমৎকার শান্তি চুক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেন জেডি
ভ্যান্স। একই সঙ্গে তিনি এটিকে আমেরিকান জনগণের জন্য একটি উভয় পক্ষের লাভজনক বা ‘উইন-উইন’
সমঝোতা বলে উল্লেখ করেন।
ভিডিও বার্তায়
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট চুক্তির প্রধান দুটি ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন:
হরমুজ প্রণালি
সচল হওয়া: চুক্তির ফলে
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল জলপথ 'হরমুজ প্রণালি' দ্রুতই আবার স্বাভাবিক
আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
পারমাণবিক
অস্ত্র প্রতিরোধ: এই
চুক্তিটি নিশ্চিত করবে যে ইরান ভবিষ্যতে আর কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে
না।
জেডি ভ্যান্স
বলেন, "যদি ইরান
দীর্ঘমেয়াদে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠন না করার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে, তবে
তাদের বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বাগত জানানো হবে। কিন্তু তারা যদি সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে,
তবে এমন কর্মসূচি আবার গড়ে তোলার মতো অর্থনৈতিক সক্ষমতাই তাদের থাকবে না।"
ভ্যান্স আরও
উল্লেখ করেন, ইরান যদি চুক্তির সব শর্ত ও নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলে, তবে দেশটির জন্য
বৈশ্বিক অর্থনীতির মূলধারার সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার একটি বড় সুযোগ তৈরি হবে।
তবে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ক্ষেত্রে ইরানের ওপর আবারও কঠোর অর্থনৈতিক বিপর্যয় নেমে আসবে
বলেও তিনি সতর্ক করে দেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী শুক্রবারের আগেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার ঐতিহাসিক চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সোমবার (১৫ জুন) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেডি ভ্যান্স
জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ নেতারা ইতোমধ্যে চুক্তিটিতে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে
(ডিজিটালি) স্বাক্ষর সম্পন্ন করেছেন। আগামী শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে সামনাসামনি চুক্তিটি
স্বাক্ষরের জন্য একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এর আগেই ট্রাম্প প্রশাসন চুক্তির
পুরো পাঠ বা মূল দলিলটি জনসমক্ষে প্রকাশ করার ইঙ্গিত দিয়েছে।
এর আগে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের
মধ্যে হওয়া এই সমঝোতাকে একটি ‘চমৎকার শান্তি চুক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেন জেডি
ভ্যান্স। একই সঙ্গে তিনি এটিকে আমেরিকান জনগণের জন্য একটি উভয় পক্ষের লাভজনক বা ‘উইন-উইন’
সমঝোতা বলে উল্লেখ করেন।
ভিডিও বার্তায়
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট চুক্তির প্রধান দুটি ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন:
হরমুজ প্রণালি
সচল হওয়া: চুক্তির ফলে
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল জলপথ 'হরমুজ প্রণালি' দ্রুতই আবার স্বাভাবিক
আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
পারমাণবিক
অস্ত্র প্রতিরোধ: এই
চুক্তিটি নিশ্চিত করবে যে ইরান ভবিষ্যতে আর কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে
না।
জেডি ভ্যান্স
বলেন, "যদি ইরান
দীর্ঘমেয়াদে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠন না করার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে, তবে
তাদের বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বাগত জানানো হবে। কিন্তু তারা যদি সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে,
তবে এমন কর্মসূচি আবার গড়ে তোলার মতো অর্থনৈতিক সক্ষমতাই তাদের থাকবে না।"
ভ্যান্স আরও
উল্লেখ করেন, ইরান যদি চুক্তির সব শর্ত ও নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলে, তবে দেশটির জন্য
বৈশ্বিক অর্থনীতির মূলধারার সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার একটি বড় সুযোগ তৈরি হবে।
তবে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ক্ষেত্রে ইরানের ওপর আবারও কঠোর অর্থনৈতিক বিপর্যয় নেমে আসবে
বলেও তিনি সতর্ক করে দেন।

আপনার মতামত লিখুন