ফরিদপুরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, ডিবি পুলিশের নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহত প্রান্ত ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার পাড়াখোলা গ্রামের মির্জা ইসকান্দার হায়দারের ছেলে। তিনি ফরিদপুর আইন কলেজের ছাত্র ছিলেন।
নিহতের পরিবার জানায়, শনিবার (২০ জুন) বিকেলে প্রান্তকে তার বাড়ির পাশ থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল আটক করে। এ সময় তার কাছে মাদক আছে বলে দাবি করে পুলিশ। পরে তাকে জেলা ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। রোববার সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়।
নিহতের মা মির্জা খাদিজা আক্তার নিপার অভিযোগ, প্রান্তকে বেধড়ক মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, মাদকসহ প্রান্তকে আটক করে নিয়ে আসা হয়েছিল। আজ সকালে তিনি অসুস্থ বোধ করলে দ্রুত তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ সুপার আরও দাবি করেন, প্রান্তর শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। তবে তার রাজনৈতিক পরিচয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রান্তর বিরুদ্ধে মাদক আইনে আগে থেকেই দুটি মামলা রয়েছে বলে জানান তিনি। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
/

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
ফরিদপুরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, ডিবি পুলিশের নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহত প্রান্ত ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার পাড়াখোলা গ্রামের মির্জা ইসকান্দার হায়দারের ছেলে। তিনি ফরিদপুর আইন কলেজের ছাত্র ছিলেন।
নিহতের পরিবার জানায়, শনিবার (২০ জুন) বিকেলে প্রান্তকে তার বাড়ির পাশ থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল আটক করে। এ সময় তার কাছে মাদক আছে বলে দাবি করে পুলিশ। পরে তাকে জেলা ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। রোববার সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়।
নিহতের মা মির্জা খাদিজা আক্তার নিপার অভিযোগ, প্রান্তকে বেধড়ক মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, মাদকসহ প্রান্তকে আটক করে নিয়ে আসা হয়েছিল। আজ সকালে তিনি অসুস্থ বোধ করলে দ্রুত তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ সুপার আরও দাবি করেন, প্রান্তর শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। তবে তার রাজনৈতিক পরিচয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রান্তর বিরুদ্ধে মাদক আইনে আগে থেকেই দুটি মামলা রয়েছে বলে জানান তিনি। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
/

আপনার মতামত লিখুন