সংবাদ

মিরপুরে ১৩০০ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার


বাকী বিল্লাহ
বাকী বিল্লাহ
প্রকাশ: ৪ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম

মিরপুরে ১৩০০ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার
মিরপুরে কালসীতে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযান। ছবি: সংবাদ

রাজধানীর মিরপুরের কালসী এলাকায় সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালিত হয়। এ নিয়ে গত ছয় মাসে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের আমলে প্রায় ১৩শ’ ১২ শতক জমি উদ্ধার করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৩শ’ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষের ঢাকা সার্কেলের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র।

মিরপুর জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন ঘটনাস্থল থেকে জানিয়েছেন, সকাল ১০টা থেকে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ছিল। এ সময় প্রায় ৬ দশমিক ৫০ কাঠা সম্পত্তি দখলদারদের কবল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সেগুনবাগিচা অফিস থেকে জানা গেছে, এই উচ্ছেদ অভিযান চালানোর জন্য এর আগে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শান্তিপূর্ণভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালাতে পুলিশের সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছেন। ওই আবেদন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ ১৩টি দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

উচ্ছেদ অভিযানে দেখা গেছে, পুলিশ পাহারায় ও গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে বুলডোজার দিয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কালসী মসজিদ সংলগ্ন দখলদারদের কবল থেকে অবৈধ স্থাপনা উদ্ধার করা হয়। সেখানে মসজিদের নামে বরাদ্দ দেওয়া সম্পত্তিও এতদিন প্রভাবশালীরা দখলে রেখেছিল।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ ২০০৮ সালে কালসী মসজিদ কর্তৃপক্ষকে মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনের ই-ব্লকে জমি বরাদ্দ দেয়। ওই সম্পত্তির মূল্যও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। একটি প্রাইভেট ব্যাংকে ওই টাকার কিস্তিও জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই জমি প্রভাবশালীরা বছরের পর বছর নিজেদের দখলে রেখে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলে লাভবান হয়েছেন।

অবশেষে বর্তমান প্রশাসন নানামুখী চ্যালেঞ্জ ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে দিনভর এই উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এর আগেও মিরপুরে আরও কয়েক দফা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। অবশ্য উচ্ছেদ অভিযান চালানোর কারণে একটি মহল সিনিয়র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা ভাবে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। উদ্ধারকৃত জমিতে ১৫০০ ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ। সেগুলো বাউন্ডারি দিয়ে রাখা হয়েছে।

এর আগে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ রাজধানীর পল্লবীর বাউনিয়াবাঁধ এলাকার অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে ১২ দশমিক ৮৩ একর (প্রায় ৭৭০ কাঠা) সরকারি জমি উদ্ধার করেছে। গত কোরবানির ঈদের আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করতে গিয়ে অবৈধ দখলদারদের হামলায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ১০ থেকে ১২ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, কর্মকর্তাদের বেকায়দায় ফেলতে দুর্বৃত্তরা রাতে বস্তিতে আগুন দেয়। এই ঘটনায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার মোরশেদ বাদী হয়ে রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলাটি তদন্ত শুরু করেছে।

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ বস্তিবাসীদের জন্য ৫৩৩টি ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় পশ্চিম বাউনিয়ার সরকারি জায়গা ও রাস্তার ধারে থাকা অবৈধ স্থাপনা ও দখলকৃত জমি খালি করার জন্য গত ২০ থেকে ২১ মে উচ্ছেদ অভিযান চালায়। তখন অবৈধ দখলদাররা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট ও গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের ওপর ইটপাথর নিক্ষেপ করে। এমনকি ঘটনাস্থলে থাকা সরকারি যানবাহন ভাঙচুর করে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গৃহায়ন কর্তৃপক্ষকে বেকায়দায় ফেলতে দুর্বৃত্তরা ঈদের আগে গত ২৫ মে রাতে পরিকল্পিতভাবে কালসী বস্তিতে আগুন দেয়। আগুনে বস্তির ৭০ থেকে ৭৫টি ঘর পুড়ে গেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় পুলিশ নাজমুল হাসান মনি নামে এক যুবককে আটক করেছে। তবে নেপথ্যে থাকা দালালরা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।

গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, দখলদাররা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সরকারি সম্পত্তি দখল করে রেখেছে। অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে সেখানে পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ‘স্বপ্নচূড়া’ নামে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের লোকদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি এখন অনুমোদনের পর্যায়ে রয়েছে। শিগগিরই তা বাস্তবায়ন করা হবে। এ ছাড়া প্রকল্পে আরও প্লট বিক্রির চিন্তা করা হচ্ছে।

সরকারি ৭৭০ কাঠা জমি দখলদাররা গত ৩০ বছর ধরে দখলে রেখেছিল। এই সম্পত্তিতে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলে চাঁদাবাজি করছিল। প্রভাবশালীরা এই সম্পত্তি নিয়ন্ত্রণে রাখছিল। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় রাষ্ট্রের এসব সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় সেখানে এখন বাউন্ডারি ও নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।

গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যেখানে দখলদার, সেখানে প্রতিরোধ করা হবে। শীর্ষ কর্মকর্তাদের এই পরিকল্পনায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকার সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। এই উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


মিরপুরে ১৩০০ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মিরপুরের কালসী এলাকায় সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালিত হয়। এ নিয়ে গত ছয় মাসে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের আমলে প্রায় ১৩শ’ ১২ শতক জমি উদ্ধার করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৩শ’ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষের ঢাকা সার্কেলের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র।

মিরপুর জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন ঘটনাস্থল থেকে জানিয়েছেন, সকাল ১০টা থেকে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ছিল। এ সময় প্রায় ৬ দশমিক ৫০ কাঠা সম্পত্তি দখলদারদের কবল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সেগুনবাগিচা অফিস থেকে জানা গেছে, এই উচ্ছেদ অভিযান চালানোর জন্য এর আগে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শান্তিপূর্ণভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালাতে পুলিশের সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছেন। ওই আবেদন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ ১৩টি দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

উচ্ছেদ অভিযানে দেখা গেছে, পুলিশ পাহারায় ও গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে বুলডোজার দিয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কালসী মসজিদ সংলগ্ন দখলদারদের কবল থেকে অবৈধ স্থাপনা উদ্ধার করা হয়। সেখানে মসজিদের নামে বরাদ্দ দেওয়া সম্পত্তিও এতদিন প্রভাবশালীরা দখলে রেখেছিল।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ ২০০৮ সালে কালসী মসজিদ কর্তৃপক্ষকে মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনের ই-ব্লকে জমি বরাদ্দ দেয়। ওই সম্পত্তির মূল্যও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। একটি প্রাইভেট ব্যাংকে ওই টাকার কিস্তিও জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই জমি প্রভাবশালীরা বছরের পর বছর নিজেদের দখলে রেখে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলে লাভবান হয়েছেন।

অবশেষে বর্তমান প্রশাসন নানামুখী চ্যালেঞ্জ ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে দিনভর এই উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এর আগেও মিরপুরে আরও কয়েক দফা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। অবশ্য উচ্ছেদ অভিযান চালানোর কারণে একটি মহল সিনিয়র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা ভাবে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। উদ্ধারকৃত জমিতে ১৫০০ ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ। সেগুলো বাউন্ডারি দিয়ে রাখা হয়েছে।

এর আগে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ রাজধানীর পল্লবীর বাউনিয়াবাঁধ এলাকার অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে ১২ দশমিক ৮৩ একর (প্রায় ৭৭০ কাঠা) সরকারি জমি উদ্ধার করেছে। গত কোরবানির ঈদের আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করতে গিয়ে অবৈধ দখলদারদের হামলায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ১০ থেকে ১২ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, কর্মকর্তাদের বেকায়দায় ফেলতে দুর্বৃত্তরা রাতে বস্তিতে আগুন দেয়। এই ঘটনায় জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার মোরশেদ বাদী হয়ে রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলাটি তদন্ত শুরু করেছে।

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ বস্তিবাসীদের জন্য ৫৩৩টি ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় পশ্চিম বাউনিয়ার সরকারি জায়গা ও রাস্তার ধারে থাকা অবৈধ স্থাপনা ও দখলকৃত জমি খালি করার জন্য গত ২০ থেকে ২১ মে উচ্ছেদ অভিযান চালায়। তখন অবৈধ দখলদাররা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট ও গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের ওপর ইটপাথর নিক্ষেপ করে। এমনকি ঘটনাস্থলে থাকা সরকারি যানবাহন ভাঙচুর করে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গৃহায়ন কর্তৃপক্ষকে বেকায়দায় ফেলতে দুর্বৃত্তরা ঈদের আগে গত ২৫ মে রাতে পরিকল্পিতভাবে কালসী বস্তিতে আগুন দেয়। আগুনে বস্তির ৭০ থেকে ৭৫টি ঘর পুড়ে গেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় পুলিশ নাজমুল হাসান মনি নামে এক যুবককে আটক করেছে। তবে নেপথ্যে থাকা দালালরা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।

গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, দখলদাররা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সরকারি সম্পত্তি দখল করে রেখেছে। অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে সেখানে পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ‘স্বপ্নচূড়া’ নামে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের লোকদের জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি এখন অনুমোদনের পর্যায়ে রয়েছে। শিগগিরই তা বাস্তবায়ন করা হবে। এ ছাড়া প্রকল্পে আরও প্লট বিক্রির চিন্তা করা হচ্ছে।

সরকারি ৭৭০ কাঠা জমি দখলদাররা গত ৩০ বছর ধরে দখলে রেখেছিল। এই সম্পত্তিতে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলে চাঁদাবাজি করছিল। প্রভাবশালীরা এই সম্পত্তি নিয়ন্ত্রণে রাখছিল। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় রাষ্ট্রের এসব সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় সেখানে এখন বাউন্ডারি ও নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।

গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যেখানে দখলদার, সেখানে প্রতিরোধ করা হবে। শীর্ষ কর্মকর্তাদের এই পরিকল্পনায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকার সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। এই উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত