বাবা দিবস উপলক্ষে নির্মিত বিশেষ নাটক ‘বাবার ডায়রি’-তে এক নিঃস্বার্থ, স্নেহময় ও আত্মত্যাগী বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা আজিজুল হাকিম। নাটকটি সিনেপ্লাস স্টুডিওর অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পায়। নাটকটির প্রযোজক মো. নাজমুল হক। রচনা, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন সম্রাট চৌধুরী।
চিত্রগ্রহণ করেছেন
আরিফুল ইসলাম, সম্পাদনা করেছেন সম্রাট আজাদ এবং সংগীত ও আবহ নির্মাণ করেছেন শাহরিয়ার
রাফাত। আজিজুল হাকিমের পাশাপাশি নাটকটিতে অভিনয় করেছেন জুনায়েদ বোগদাদি, মিষ্টি ঘোষ,
তমাল মাহবুবসহ আরও অনেকে।
নাটকের গল্পে আজিজুল
হাকিমকে দেখা যাবে আনিস সাহেব চরিত্রে। সন্তানের সুখের জন্য নিজের সবকিছু উৎসর্গ করেও
শেষ বয়সে তাকে অবহেলা ও মানসিক কষ্টের মুখোমুখি হতে হয়। নিজের অনুভূতি, জীবনের অভিজ্ঞতা
এবং না-বলা কথাগুলো তিনি লিখে রাখেন একটি ডায়েরির পাতায়।
গল্পে দেখা যায়,
ব্যক্তিগত ব্যস্ততা ও ভবিষ্যতের চিন্তায় ধীরে ধীরে বাবার কাছ থেকে দূরে সরে যায় ছেলে
আরমান। অভিমান নিয়ে একসময় বৃদ্ধাশ্রমে চলে যান আনিস সাহেব। এরপর এমন কিছু ঘটনা ঘটে,
যা বদলে দেয় আরমানের জীবন। বাবার মৃত্যুর পর তার ডায়েরির পাতায় লুকিয়ে থাকা ত্যাগ,
মমতা ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার গল্প আবিষ্কার করে সে। কিন্তু তখন বাবার কাছে ক্ষমা চাওয়ার
সুযোগ আর অবশিষ্ট থাকে না।
পারিবারিক, সামাজিক
ও অনুপ্রেরণামূলক গল্পে নির্মিত এই নাটকের মাধ্যমে বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের দায়িত্ববোধ,
ভালোবাসা ও সম্মানের বার্তা তুলে ধরতে চেয়েছেন নির্মাতারা। বাবা দিবসকে কেন্দ্র করে
নির্মিত নাটকটি দর্শকদের আবেগাপ্লুত করবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
বাবা দিবস উপলক্ষে নির্মিত বিশেষ নাটক ‘বাবার ডায়রি’-তে এক নিঃস্বার্থ, স্নেহময় ও আত্মত্যাগী বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা আজিজুল হাকিম। নাটকটি সিনেপ্লাস স্টুডিওর অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পায়। নাটকটির প্রযোজক মো. নাজমুল হক। রচনা, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন সম্রাট চৌধুরী।
চিত্রগ্রহণ করেছেন
আরিফুল ইসলাম, সম্পাদনা করেছেন সম্রাট আজাদ এবং সংগীত ও আবহ নির্মাণ করেছেন শাহরিয়ার
রাফাত। আজিজুল হাকিমের পাশাপাশি নাটকটিতে অভিনয় করেছেন জুনায়েদ বোগদাদি, মিষ্টি ঘোষ,
তমাল মাহবুবসহ আরও অনেকে।
নাটকের গল্পে আজিজুল
হাকিমকে দেখা যাবে আনিস সাহেব চরিত্রে। সন্তানের সুখের জন্য নিজের সবকিছু উৎসর্গ করেও
শেষ বয়সে তাকে অবহেলা ও মানসিক কষ্টের মুখোমুখি হতে হয়। নিজের অনুভূতি, জীবনের অভিজ্ঞতা
এবং না-বলা কথাগুলো তিনি লিখে রাখেন একটি ডায়েরির পাতায়।
গল্পে দেখা যায়,
ব্যক্তিগত ব্যস্ততা ও ভবিষ্যতের চিন্তায় ধীরে ধীরে বাবার কাছ থেকে দূরে সরে যায় ছেলে
আরমান। অভিমান নিয়ে একসময় বৃদ্ধাশ্রমে চলে যান আনিস সাহেব। এরপর এমন কিছু ঘটনা ঘটে,
যা বদলে দেয় আরমানের জীবন। বাবার মৃত্যুর পর তার ডায়েরির পাতায় লুকিয়ে থাকা ত্যাগ,
মমতা ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার গল্প আবিষ্কার করে সে। কিন্তু তখন বাবার কাছে ক্ষমা চাওয়ার
সুযোগ আর অবশিষ্ট থাকে না।
পারিবারিক, সামাজিক
ও অনুপ্রেরণামূলক গল্পে নির্মিত এই নাটকের মাধ্যমে বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের দায়িত্ববোধ,
ভালোবাসা ও সম্মানের বার্তা তুলে ধরতে চেয়েছেন নির্মাতারা। বাবা দিবসকে কেন্দ্র করে
নির্মিত নাটকটি দর্শকদের আবেগাপ্লুত করবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন