সংবাদ

বামনডাঙ্গা খাদ্য গুদামে রাতে ধান কেনার অভিযোগ


প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৭:১৭ পিএম

বামনডাঙ্গা খাদ্য গুদামে রাতে ধান কেনার অভিযোগ
ছবি : সংবাদ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা খাদ্য গুদামে সরকারি নীতিমালা তোয়াক্কা না করে রাতের আঁধারে ধান কেনার অভিযোগ উঠেছে। ফড়িয়া সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করায় সাধারণ কৃষকেরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় চাষিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

রোববার (২১ জুন) রাতে সরেজমিনে বামনডাঙ্গা খাদ্য গুদামে গিয়ে দেখা যায়, রাত পৌনে আটটার দিকে গুদামের প্রধান ফটক বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে পেছনের একটি ছোট পকেট গেট দিয়ে গোপনে ধান ভেতরে ঢোকানো হচ্ছে। প্রধান ফটকের সামনে লাঠিসোটা হাতে শ্রমিকদের দিয়ে এক প্রকার পাহারার ব্যবস্থা করেছেন ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, দিনের বেলা সাধারণ কৃষকেরা ধান নিয়ে এলে আর্দ্রতা বা নিম্নমানের অজুহাতে তা ফেরত দেওয়া হয়। অথচ রাতের অন্ধকারে ফড়িয়াদের সঙ্গে যোগসাজশ করে সিন্ডিকেটের ধান অনায়াসে গুদামজাত করা হচ্ছে। গতকাল রাতে ফড়িয়াদের ধান নেওয়ার দৃশ্য দেখে উপস্থিত কৃষকেরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বামনডাঙ্গা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফসানা খাতুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘গতকাল বিকেলে স্থানীয় চারজন কৃষক অফিসের শেষ সময়ে এসে ধান নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তাদের অনুরোধে ১০০ বস্তা ধান নেওয়া হয় এবং এর পরপরই গুদামের চাবি আমি নিজের হেফাজতে নিয়ে নিই।’

তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় কিছু অসাধু লোক বিভিন্ন সময়ে সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করেন। তাতে রাজি না হওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে রাতের বেলার ছবি ও ভিডিও ধারণ করে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, অ্যাপ বা লটারির মাধ্যমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ধান কেনার নিয়ম রয়েছে। তবে বামনডাঙ্গায় এই নিয়ম মানা হচ্ছে না বলে স্থানীয়দের দাবি। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬


বামনডাঙ্গা খাদ্য গুদামে রাতে ধান কেনার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা খাদ্য গুদামে সরকারি নীতিমালা তোয়াক্কা না করে রাতের আঁধারে ধান কেনার অভিযোগ উঠেছে। ফড়িয়া সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করায় সাধারণ কৃষকেরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় চাষিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

রোববার (২১ জুন) রাতে সরেজমিনে বামনডাঙ্গা খাদ্য গুদামে গিয়ে দেখা যায়, রাত পৌনে আটটার দিকে গুদামের প্রধান ফটক বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে পেছনের একটি ছোট পকেট গেট দিয়ে গোপনে ধান ভেতরে ঢোকানো হচ্ছে। প্রধান ফটকের সামনে লাঠিসোটা হাতে শ্রমিকদের দিয়ে এক প্রকার পাহারার ব্যবস্থা করেছেন ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, দিনের বেলা সাধারণ কৃষকেরা ধান নিয়ে এলে আর্দ্রতা বা নিম্নমানের অজুহাতে তা ফেরত দেওয়া হয়। অথচ রাতের অন্ধকারে ফড়িয়াদের সঙ্গে যোগসাজশ করে সিন্ডিকেটের ধান অনায়াসে গুদামজাত করা হচ্ছে। গতকাল রাতে ফড়িয়াদের ধান নেওয়ার দৃশ্য দেখে উপস্থিত কৃষকেরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বামনডাঙ্গা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফসানা খাতুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘গতকাল বিকেলে স্থানীয় চারজন কৃষক অফিসের শেষ সময়ে এসে ধান নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তাদের অনুরোধে ১০০ বস্তা ধান নেওয়া হয় এবং এর পরপরই গুদামের চাবি আমি নিজের হেফাজতে নিয়ে নিই।’

তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় কিছু অসাধু লোক বিভিন্ন সময়ে সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করেন। তাতে রাজি না হওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে রাতের বেলার ছবি ও ভিডিও ধারণ করে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, অ্যাপ বা লটারির মাধ্যমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ধান কেনার নিয়ম রয়েছে। তবে বামনডাঙ্গায় এই নিয়ম মানা হচ্ছে না বলে স্থানীয়দের দাবি। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত