নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে প্রকাশ্যে ধরিয়ে দিতে পারলে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহি। একইসঙ্গে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নেতাকর্মীদের অবস্থান নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।
সোমবার (২২ জুন) দুপুরে ছাত্রলীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীদের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরের পেছনে অবস্থিত দলীয় টেন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পরিবহন চত্ত্বরে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় ‘ছাত্রলীগের আস্তানা ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও’, ‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘ছাত্রলীগ বাড়িস না, পিঠের চামড়া থাকবে না’, ‘খুনী হাসিনার আস্তানা ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও’, ‘ধর ধর ধর, কুত্তা ধর, ধরে ধরে জেলে ভর’, ‘আপা আপা করিস না, পিঠের চামড়া থাকবে না’ এবং ‘ভারতের দালালেরা হুঁশিয়ার, সাবধান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ছাত্রদল সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহি বলেন, “সরকারের কাছে, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত সবাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে হবে। আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো ক্যাম্পাস ও রাজশাহী জেলাকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। সকল নেতাকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি। এসব সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে কেউ যদি প্রকাশ্যে ধরিয়ে দিতে পারেন, তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।”
এদিকে সমাবেশে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ।
তিনি বলেন, “বিগত ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতে এ দেশের জনগণ গুম, খুন ও হত্যার শিকার হয়েছে। শেষ মুহূর্তে এসে ছাত্র-জনতা হত্যা করেও তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা বোধ কাজ করেনি। তারা এখন স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরতে চাইলেও বাংলাদেশের জনগণ তাদের আর গ্রহণ করবে না। যেখানে তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইবে, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের হাত-পা সব ভেঙে চুরমার করে দেবে।”
এ সময় তিনি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী দেখা মাত্র পেটানোর হুঁশিয়ারিও দেন।
বিক্ষোভ মিছিলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে প্রকাশ্যে ধরিয়ে দিতে পারলে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহি। একইসঙ্গে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নেতাকর্মীদের অবস্থান নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।
সোমবার (২২ জুন) দুপুরে ছাত্রলীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীদের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরের পেছনে অবস্থিত দলীয় টেন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পরিবহন চত্ত্বরে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় ‘ছাত্রলীগের আস্তানা ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও’, ‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘ছাত্রলীগ বাড়িস না, পিঠের চামড়া থাকবে না’, ‘খুনী হাসিনার আস্তানা ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও’, ‘ধর ধর ধর, কুত্তা ধর, ধরে ধরে জেলে ভর’, ‘আপা আপা করিস না, পিঠের চামড়া থাকবে না’ এবং ‘ভারতের দালালেরা হুঁশিয়ার, সাবধান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ছাত্রদল সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহি বলেন, “সরকারের কাছে, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত সবাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে হবে। আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো ক্যাম্পাস ও রাজশাহী জেলাকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। সকল নেতাকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি। এসব সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে কেউ যদি প্রকাশ্যে ধরিয়ে দিতে পারেন, তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।”
এদিকে সমাবেশে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ।
তিনি বলেন, “বিগত ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতে এ দেশের জনগণ গুম, খুন ও হত্যার শিকার হয়েছে। শেষ মুহূর্তে এসে ছাত্র-জনতা হত্যা করেও তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা বোধ কাজ করেনি। তারা এখন স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরতে চাইলেও বাংলাদেশের জনগণ তাদের আর গ্রহণ করবে না। যেখানে তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইবে, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের হাত-পা সব ভেঙে চুরমার করে দেবে।”
এ সময় তিনি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী দেখা মাত্র পেটানোর হুঁশিয়ারিও দেন।
বিক্ষোভ মিছিলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন