চাঁদপুর জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত তিন মাসে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ ৫২২ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৫৭৭ জন মাদক কারবারিকে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসানের তদারকিতে গত ১ এপ্রিল থেকে ২২ জুন পর্যন্ত জেলার আটটি থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এই বিশেষ অভিযান চালায়। অপরাধ ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তিন মাসের এই অভিযানে ৪৬০টি মাদক মামলায় ৫৭৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে ৬ হাজার ৯৫১টি ইয়াবা বড়ি, ৫৯ কেজি ১১৯ গ্রাম গাঁজা, ৩টি গাঁজা গাছ, ২ লিটার চোলাই মদ ও ১ বোতল বিদেশি মদ। একই সময়ে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৫২২ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া ১ হাজার ৪৬৩টি চেকপোস্ট পরিচালনা করে ৫৫৩টি যানবাহন আটক ও তল্লাশি করা হয়। অস্ত্রবিরোধী অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে একটি কার্তুজ ও একটি কাটার।
থানাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি কিশোর গ্যাং সদস্য আটক হয়েছে কচুয়া (১২২ জন) ও চাঁদপুর সদর মডেল থানায় (৮৭ জন)। মাদক উদ্ধারেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে ফরিদগঞ্জ ও হাজীগঞ্জ থানা। জেলা ডিবি পুলিশও এ সময়ে ৭৩ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক এবং বিপুল মাদক উদ্ধার করেছে।
পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান বলেন, মাদক, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে চাঁদপুর জেলা পুলিশের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অপরাধ দমনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য তিনি জেলাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
/

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
চাঁদপুর জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত তিন মাসে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ ৫২২ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৫৭৭ জন মাদক কারবারিকে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসানের তদারকিতে গত ১ এপ্রিল থেকে ২২ জুন পর্যন্ত জেলার আটটি থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এই বিশেষ অভিযান চালায়। অপরাধ ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তিন মাসের এই অভিযানে ৪৬০টি মাদক মামলায় ৫৭৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে ৬ হাজার ৯৫১টি ইয়াবা বড়ি, ৫৯ কেজি ১১৯ গ্রাম গাঁজা, ৩টি গাঁজা গাছ, ২ লিটার চোলাই মদ ও ১ বোতল বিদেশি মদ। একই সময়ে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৫২২ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া ১ হাজার ৪৬৩টি চেকপোস্ট পরিচালনা করে ৫৫৩টি যানবাহন আটক ও তল্লাশি করা হয়। অস্ত্রবিরোধী অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে একটি কার্তুজ ও একটি কাটার।
থানাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি কিশোর গ্যাং সদস্য আটক হয়েছে কচুয়া (১২২ জন) ও চাঁদপুর সদর মডেল থানায় (৮৭ জন)। মাদক উদ্ধারেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে ফরিদগঞ্জ ও হাজীগঞ্জ থানা। জেলা ডিবি পুলিশও এ সময়ে ৭৩ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক এবং বিপুল মাদক উদ্ধার করেছে।
পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান বলেন, মাদক, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে চাঁদপুর জেলা পুলিশের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অপরাধ দমনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য তিনি জেলাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
/

আপনার মতামত লিখুন