উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে গাইবান্ধার প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। এতে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, পানি বাড়তে থাকায় জেলার সুন্দরগঞ্জ, সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি। ঘরবাড়িতে পানি ওঠায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।
বন্যা পরিস্থিতির পাশাপাশি নদীভাঙন এখন বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেলার কুন্দেরপাড়া, মোল্লারচর, মুন্সিরহাটখোলা ও গোবিন্দগ্রামসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভিটেমাটি ও আবাদি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে অনেক পরিবার।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ (বালুভর্তি বস্তা) ফেলে তা প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
/

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে গাইবান্ধার প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। এতে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, পানি বাড়তে থাকায় জেলার সুন্দরগঞ্জ, সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি। ঘরবাড়িতে পানি ওঠায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।
বন্যা পরিস্থিতির পাশাপাশি নদীভাঙন এখন বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেলার কুন্দেরপাড়া, মোল্লারচর, মুন্সিরহাটখোলা ও গোবিন্দগ্রামসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভিটেমাটি ও আবাদি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে অনেক পরিবার।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ (বালুভর্তি বস্তা) ফেলে তা প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
/

আপনার মতামত লিখুন