একাদশে একসঙ্গে ১০টি পরিবর্তন আনার বড় খেসারত দিতে হলো নরওয়েকে। কিলিয়ান এমবাপেদের গতিময় ফুটবলের সামনে রীতিমতো উড়ে গেছে আর্লিং হাল্যান্ডবিহীন দলটি। প্রথমার্ধেই ওসমান দেম্বেলের রেকর্ড হ্যাটট্রিকে নরওয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়ে নকআউট রাউন্ডে উঠেছে ফ্রান্স। অন্যদিকে বড় ব্যবধানে হারলেও গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে পরের রাউন্ড নিশ্চিত করেছে নরওয়ে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ফরাসিরা। প্রথম মিনিটেই এমবাপের একটি জোরালো শট গোলবারে লেগে প্রতিহত হলে ভাগ্য জোরে বেঁচে যায় নরওয়ে। তবে ফরাসিদের প্রথম গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ম্যাচের ৭ মিনিটে এমবাপের পাস থেকে ডি-বক্সের ভেতর থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান ওসমানে দেম্বেলে।
এরপর ২০ মিনিটে আবারো কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ওলিসের বাড়ানো বল ধরে ডি-বক্সের অনেক দূর থেকে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ব্যালন ডি'অর জয়ী এই তারকা। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর অবশ্য দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় নরওয়ে। ঠিক পরের মিনিটেই (২১ মিনিট) শেলডেরাপের পাস থেকে ডি-বক্সে ফাঁকা জায়গা পেয়ে নরওয়ের পক্ষে এক গোল শোধ করেন আজগার্ড।
তবে নরওয়ের এই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি দেম্বেলে। ম্যাচের ৩২ মিনিটে বাঁ পায়ের আরেকটি চমৎকার শটে গোল করে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তিনি। এই কীর্তির মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয় ফ্রেঞ্চ ফুটবলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করলেন দেম্বেলে।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে এমবাপে ও জুলস কুন্ডে সহজ কিছু সুযোগ নষ্ট না করলে বিরতির আগেই গোলসংখ্যা আরও বাড়তে পারতো ফ্রান্সের। শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় নরওয়ে। ৪৮ মিনিটে অস্কার ববকে ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন থিও হার্নান্দেজ, যার ফলে পেনাল্টি পায় নরওয়ে। কিন্তু স্ট্রান্ড লারসেনের নেওয়া দুর্বল পেনাল্টি শটটি দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইনান।
৭২ মিনিটে সাবেক ম্যান সিটি তারকা অস্কার ববের আরেকটি জোরালো শট ঝাপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন মাইনান। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে, যোগ করা সময়ের ৪ মিনিটে বার্কোলার ক্রস থেকে চমৎকার হেডে গোল করে ফ্রান্সের ৪-১ গোলের বড় জয় নিশ্চিত করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত বড় জয়ের আনন্দ নিয়ে গ্রুপসেরা হয়েই মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
একাদশে একসঙ্গে ১০টি পরিবর্তন আনার বড় খেসারত দিতে হলো নরওয়েকে। কিলিয়ান এমবাপেদের গতিময় ফুটবলের সামনে রীতিমতো উড়ে গেছে আর্লিং হাল্যান্ডবিহীন দলটি। প্রথমার্ধেই ওসমান দেম্বেলের রেকর্ড হ্যাটট্রিকে নরওয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়ে নকআউট রাউন্ডে উঠেছে ফ্রান্স। অন্যদিকে বড় ব্যবধানে হারলেও গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে পরের রাউন্ড নিশ্চিত করেছে নরওয়ে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ফরাসিরা। প্রথম মিনিটেই এমবাপের একটি জোরালো শট গোলবারে লেগে প্রতিহত হলে ভাগ্য জোরে বেঁচে যায় নরওয়ে। তবে ফরাসিদের প্রথম গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ম্যাচের ৭ মিনিটে এমবাপের পাস থেকে ডি-বক্সের ভেতর থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান ওসমানে দেম্বেলে।
এরপর ২০ মিনিটে আবারো কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ওলিসের বাড়ানো বল ধরে ডি-বক্সের অনেক দূর থেকে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ব্যালন ডি'অর জয়ী এই তারকা। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর অবশ্য দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় নরওয়ে। ঠিক পরের মিনিটেই (২১ মিনিট) শেলডেরাপের পাস থেকে ডি-বক্সে ফাঁকা জায়গা পেয়ে নরওয়ের পক্ষে এক গোল শোধ করেন আজগার্ড।
তবে নরওয়ের এই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি দেম্বেলে। ম্যাচের ৩২ মিনিটে বাঁ পায়ের আরেকটি চমৎকার শটে গোল করে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তিনি। এই কীর্তির মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয় ফ্রেঞ্চ ফুটবলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করলেন দেম্বেলে।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে এমবাপে ও জুলস কুন্ডে সহজ কিছু সুযোগ নষ্ট না করলে বিরতির আগেই গোলসংখ্যা আরও বাড়তে পারতো ফ্রান্সের। শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় নরওয়ে। ৪৮ মিনিটে অস্কার ববকে ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন থিও হার্নান্দেজ, যার ফলে পেনাল্টি পায় নরওয়ে। কিন্তু স্ট্রান্ড লারসেনের নেওয়া দুর্বল পেনাল্টি শটটি দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইনান।
৭২ মিনিটে সাবেক ম্যান সিটি তারকা অস্কার ববের আরেকটি জোরালো শট ঝাপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন মাইনান। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে, যোগ করা সময়ের ৪ মিনিটে বার্কোলার ক্রস থেকে চমৎকার হেডে গোল করে ফ্রান্সের ৪-১ গোলের বড় জয় নিশ্চিত করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত বড় জয়ের আনন্দ নিয়ে গ্রুপসেরা হয়েই মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।

আপনার মতামত লিখুন