সংবাদ

পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদ খাতে বড় সুখবর


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, সিলেট
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, সিলেট
প্রকাশ: ৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম

পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদ খাতে বড় সুখবর
কানাডার কারিগরি সহায়তায় দেশে ভ্যাকসিন উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা। ছবি : সংবাদ

বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ, পোল্ট্রি ও মৎস্য খাতে প্রতিবছর প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার ভ্যাকসিনের (টিকা) বাজার থাকলেও দেশীয় উৎপাদন চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায় মিলিয়ে মাত্র ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি টাকার ভ্যাকসিন দেশে উৎপাদিত হয়। বাকি ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার ভ্যাকসিন বিদেশ থেকে আমদানি করতে হচ্ছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানান সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রখ্যাত অণুজীববিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলাম। ‘বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে প্রাণিসম্পদ, পোল্ট্রি এবং হিউম্যান ভ্যাকসিন উৎপাদন বিষয়ে উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করা হয়।

অধ্যাপক আলিমুল ইসলাম বলেন, গবাদিপশুতে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) এবং ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজসহ (এফএমডি) বিভিন্ন রোগের টিকা আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশেই উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। কারিগরি সহযোগিতা ও উন্নত ল্যাব সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে এই টিকা বিদেশে রপ্তানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাডার কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবন বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. টিম ইভান্স। তিনি জানান, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে উদ্যোগ নেওয়া হলে কানাডার ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে আগ্রহী।

সভায় জাস্ট সাস্টেইনিবিলিটি বাংলাদেশের যুগ্ম সম্পাদক সাকিব আল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা উল্লেখ করেন, সরকার বর্তমানে টিকার দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে এবং খামারিদের সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬


পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদ খাতে বড় সুখবর

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ, পোল্ট্রি ও মৎস্য খাতে প্রতিবছর প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার ভ্যাকসিনের (টিকা) বাজার থাকলেও দেশীয় উৎপাদন চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায় মিলিয়ে মাত্র ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি টাকার ভ্যাকসিন দেশে উৎপাদিত হয়। বাকি ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার ভ্যাকসিন বিদেশ থেকে আমদানি করতে হচ্ছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানান সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রখ্যাত অণুজীববিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলাম। ‘বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে প্রাণিসম্পদ, পোল্ট্রি এবং হিউম্যান ভ্যাকসিন উৎপাদন বিষয়ে উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করা হয়।

অধ্যাপক আলিমুল ইসলাম বলেন, গবাদিপশুতে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) এবং ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজসহ (এফএমডি) বিভিন্ন রোগের টিকা আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশেই উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। কারিগরি সহযোগিতা ও উন্নত ল্যাব সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে এই টিকা বিদেশে রপ্তানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাডার কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবন বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. টিম ইভান্স। তিনি জানান, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে উদ্যোগ নেওয়া হলে কানাডার ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে আগ্রহী।

সভায় জাস্ট সাস্টেইনিবিলিটি বাংলাদেশের যুগ্ম সম্পাদক সাকিব আল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা উল্লেখ করেন, সরকার বর্তমানে টিকার দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে এবং খামারিদের সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত