মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘিওর-কফিলউদ্দীন দরজী সড়ক থেকে গুড়হাট ভূষিপট্টি পর্যন্ত রাস্তাটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। সড়কের বড় একটি অংশজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। এতে ঘিওর বাজারের ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালের জানুয়ারিতে ঘিওর কফিলউদ্দীন দরজী সড়ক থেকে কাঠপট্টি, ভূষিপট্টি ও সরিষাপট্টিতে ইট বিছানো (ইট-সোলিং) রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পার হলেও সড়কটি আর পূর্ণাঙ্গ মেরামত করা হয়নি। এ ছাড়া লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে গুড়হাট থেকে কুস্তা ব্রিজ পর্যন্ত যে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছিল, সেটিও এখন ভরাট হয়ে অকেজো পড়ে আছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ইটের আস্তরণ উঠে গিয়ে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ট্রাক, অটোটেম্পু, রিকশা-ভ্যান ও মোটরসাইকেল চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। বৃষ্টির সময় এসব গর্তে পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে এলাকাটি। কাঠপট্টি ও গুড়হাট এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, রাস্তা খারাপ হওয়ায় পণ্য আনা-নেওয়ার খরচ বেড়ে গেছে, অনেক সময় পণ্যবাহী গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনাও ঘটছে।
অটোচালক জুবায়ের, সমীর, কাউছার ও মানিক বলেন, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করেন। খানাখন্দের কারণে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি লোকজনের ভোগান্তি বাড়ছে। এ রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল করা খুবই কষ্ট।
ঘিওর বাজারের একজন কাঠ ব্যবসায়ী বলেন, দীর্ঘদিন অতিবাহিত হবার পরেও কাঠপট্টি ও ভূষিপট্টির রাস্তাটি মেরামত করা হয়নি। ফলে ব্যবসায়ীদের পণ্যসামগ্রী ও যাতায়াতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।
ঘিওর উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘রাস্তাটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। আগামী অর্থবছরে এই সড়কের উন্নয়নকাজের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাতিশা-তুল ইসলাম বলেন, ড়কটি জনস্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। জনদুর্ভোগ কমাতে এবং নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে দ্রত উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এলাকার অভিজ্ঞ মহল প্রতিদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
\

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘিওর-কফিলউদ্দীন দরজী সড়ক থেকে গুড়হাট ভূষিপট্টি পর্যন্ত রাস্তাটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। সড়কের বড় একটি অংশজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। এতে ঘিওর বাজারের ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালের জানুয়ারিতে ঘিওর কফিলউদ্দীন দরজী সড়ক থেকে কাঠপট্টি, ভূষিপট্টি ও সরিষাপট্টিতে ইট বিছানো (ইট-সোলিং) রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পার হলেও সড়কটি আর পূর্ণাঙ্গ মেরামত করা হয়নি। এ ছাড়া লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে গুড়হাট থেকে কুস্তা ব্রিজ পর্যন্ত যে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছিল, সেটিও এখন ভরাট হয়ে অকেজো পড়ে আছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ইটের আস্তরণ উঠে গিয়ে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ট্রাক, অটোটেম্পু, রিকশা-ভ্যান ও মোটরসাইকেল চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। বৃষ্টির সময় এসব গর্তে পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে এলাকাটি। কাঠপট্টি ও গুড়হাট এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, রাস্তা খারাপ হওয়ায় পণ্য আনা-নেওয়ার খরচ বেড়ে গেছে, অনেক সময় পণ্যবাহী গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনাও ঘটছে।
অটোচালক জুবায়ের, সমীর, কাউছার ও মানিক বলেন, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করেন। খানাখন্দের কারণে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি লোকজনের ভোগান্তি বাড়ছে। এ রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল করা খুবই কষ্ট।
ঘিওর বাজারের একজন কাঠ ব্যবসায়ী বলেন, দীর্ঘদিন অতিবাহিত হবার পরেও কাঠপট্টি ও ভূষিপট্টির রাস্তাটি মেরামত করা হয়নি। ফলে ব্যবসায়ীদের পণ্যসামগ্রী ও যাতায়াতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।
ঘিওর উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘রাস্তাটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। আগামী অর্থবছরে এই সড়কের উন্নয়নকাজের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাতিশা-তুল ইসলাম বলেন, ড়কটি জনস্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। জনদুর্ভোগ কমাতে এবং নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে দ্রত উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এলাকার অভিজ্ঞ মহল প্রতিদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
\

আপনার মতামত লিখুন