সংবাদ

শ্যামনগরে উপকূল রক্ষা বাঁধ থেকে ১২টি ‘নাইনটি’ অপসারণ


প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রকাশ: ৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩২ পিএম

শ্যামনগরে উপকূল রক্ষা বাঁধ থেকে ১২টি ‘নাইনটি’ অপসারণ
গাবুরার টেকসই বাঁধ রক্ষায় পুলিশ ও প্রশাসনের অভিযান। ছবি : সংবাদ

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরাকে ঘিরে থাকা উপকূল রক্ষা বাঁধ থেকে ১২টি অবৈধ ‘নাইনটি’ (লবণ পানি তোলার পাইপ) অপসারণ করেছে প্রশাসন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ১৫ নম্বর পোল্ডারের বাঁধের বিভিন্ন অংশ থেকে এসব পাইপ সরিয়ে ফেলা হয়।

অভিযান চালানো হয় উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চকবারা, ডুমুরিয়া, চাদনীমুখা ও ৯ নম্বর সোরা এলাকায়। স্থানীয় প্রভাবশালীরা তাদের চিংড়িঘেরে নদীর লবণ পানি সরবরাহের জন্য বাঁধের ওপরের ব্লক সরিয়ে এবং মাটি কেটে এসব পাইপ স্থাপন করেছিলেন।

অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদার।

পাউবোর প্রকৌশলী ইমরান সরদার বলেন, গাবুরার চারপাশে টেকসই বাঁধ নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। এর মধ্যেই অনেকে নৌকা বাঁধার জন্য খুঁটি পুঁতেছেন এবং বাঁধ কেটে পাইপ বসিয়েছেন। বাঁধের ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের নিজ উদ্যোগে পাইপগুলো সরিয়ে নিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা কথা না শোনায় আজ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সেগুলো অপসারণ করা হয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক জানান, ১ হাজার ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে গাবুরার চারপাশজুড়ে উপকূল রক্ষা বাঁধের পুনর্বাসন প্রকল্প চলমান। বিশাল এই কর্মযজ্ঞের মধ্যেই কিছু ব্যক্তি ব্যক্তিস্বার্থে বাঁধের ক্ষতি করছেন। খবর পেয়ে আজ ১০টিরও বেশি ‘নাইনটি’ অপসারণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে কেউ বাঁধের ক্ষতি করলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬


শ্যামনগরে উপকূল রক্ষা বাঁধ থেকে ১২টি ‘নাইনটি’ অপসারণ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরাকে ঘিরে থাকা উপকূল রক্ষা বাঁধ থেকে ১২টি অবৈধ ‘নাইনটি’ (লবণ পানি তোলার পাইপ) অপসারণ করেছে প্রশাসন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ১৫ নম্বর পোল্ডারের বাঁধের বিভিন্ন অংশ থেকে এসব পাইপ সরিয়ে ফেলা হয়।

অভিযান চালানো হয় উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চকবারা, ডুমুরিয়া, চাদনীমুখা ও ৯ নম্বর সোরা এলাকায়। স্থানীয় প্রভাবশালীরা তাদের চিংড়িঘেরে নদীর লবণ পানি সরবরাহের জন্য বাঁধের ওপরের ব্লক সরিয়ে এবং মাটি কেটে এসব পাইপ স্থাপন করেছিলেন।

অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদার।

পাউবোর প্রকৌশলী ইমরান সরদার বলেন, গাবুরার চারপাশে টেকসই বাঁধ নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। এর মধ্যেই অনেকে নৌকা বাঁধার জন্য খুঁটি পুঁতেছেন এবং বাঁধ কেটে পাইপ বসিয়েছেন। বাঁধের ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের নিজ উদ্যোগে পাইপগুলো সরিয়ে নিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা কথা না শোনায় আজ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সেগুলো অপসারণ করা হয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক জানান, ১ হাজার ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে গাবুরার চারপাশজুড়ে উপকূল রক্ষা বাঁধের পুনর্বাসন প্রকল্প চলমান। বিশাল এই কর্মযজ্ঞের মধ্যেই কিছু ব্যক্তি ব্যক্তিস্বার্থে বাঁধের ক্ষতি করছেন। খবর পেয়ে আজ ১০টিরও বেশি ‘নাইনটি’ অপসারণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে কেউ বাঁধের ক্ষতি করলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত