শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে গড়ে ওঠা দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞ্চল নরসিংদীর পলাশ-ঘোড়াশাল। ১২৮টি ছোট-বড় কলকারখানা আর কয়েক লাখ মানুষের কর্মব্যস্ততায় মুখর এই জনপদ এখন জলাবদ্ধতা আর ভাঙাচোরা সড়কের কারণে বিষফোড়ায় পরিণত হয়েছে। অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানিবন্দি হয়ে পড়ছে পুরো এলাকা।
গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার প্রধান সড়কসহ প্রতিটি সংযোগ সড়কে এখন থইথই পানি। সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘোড়াশাল, টেকপাড়া, উত্তর চরপাড়া, মিয়াপড়া ও কামারটেক এলাকায় দুর্ভোগ এখন চরমে। বিশেষ করে ঘোড়াশাল থেকে ডাঙ্গা এবং ঘোড়াশাল থেকে জনতা জুট মিল পর্যন্ত সড়ক দুটি খানাখন্দে ভরে গেছে। বৃষ্টির পানি জমে থাকায় এসব গর্ত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে, যার ফলে অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা।
স্থানীয়রা জানান, ঘোড়াশাল-ডাঙ্গা সড়কটি দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি আর বর্ষায় কাদা-পানিতে নাভিশ্বাস ওঠে যাত্রী ও চালকদের। এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে গত ১২ জুলাই বৃষ্টিতে ভিজেই মানববন্ধন করেছেন ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।
সচেতন মহলের অভিযোগ, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই শিল্পাঞ্চলের ড্রেনেজ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক। দ্রুত সুবিন্যস্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়ক সংস্কার এখন সময়ের দাবি।
এ বিষয়ে পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ঘোড়াশাল পৌর প্রশাসক ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘পৌরসভার জলাবদ্ধতা নিরসনে আমাদের কাজ চলছে। দ্রুতই ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে। আর সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দুটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে অবহিত করা হবে।’
/

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে গড়ে ওঠা দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞ্চল নরসিংদীর পলাশ-ঘোড়াশাল। ১২৮টি ছোট-বড় কলকারখানা আর কয়েক লাখ মানুষের কর্মব্যস্ততায় মুখর এই জনপদ এখন জলাবদ্ধতা আর ভাঙাচোরা সড়কের কারণে বিষফোড়ায় পরিণত হয়েছে। অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানিবন্দি হয়ে পড়ছে পুরো এলাকা।
গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার প্রধান সড়কসহ প্রতিটি সংযোগ সড়কে এখন থইথই পানি। সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘোড়াশাল, টেকপাড়া, উত্তর চরপাড়া, মিয়াপড়া ও কামারটেক এলাকায় দুর্ভোগ এখন চরমে। বিশেষ করে ঘোড়াশাল থেকে ডাঙ্গা এবং ঘোড়াশাল থেকে জনতা জুট মিল পর্যন্ত সড়ক দুটি খানাখন্দে ভরে গেছে। বৃষ্টির পানি জমে থাকায় এসব গর্ত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে, যার ফলে অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা।
স্থানীয়রা জানান, ঘোড়াশাল-ডাঙ্গা সড়কটি দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে আছে। শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি আর বর্ষায় কাদা-পানিতে নাভিশ্বাস ওঠে যাত্রী ও চালকদের। এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে গত ১২ জুলাই বৃষ্টিতে ভিজেই মানববন্ধন করেছেন ঘোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।
সচেতন মহলের অভিযোগ, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই শিল্পাঞ্চলের ড্রেনেজ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক। দ্রুত সুবিন্যস্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়ক সংস্কার এখন সময়ের দাবি।
এ বিষয়ে পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ঘোড়াশাল পৌর প্রশাসক ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘পৌরসভার জলাবদ্ধতা নিরসনে আমাদের কাজ চলছে। দ্রুতই ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে। আর সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দুটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে অবহিত করা হবে।’
/

আপনার মতামত লিখুন