বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ‘জাস্ট থট এডুকেশন কনসালট্যান্ট’ (Just Thought Education Consultant)-এর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। আজ রাজধানীর একটি সড়কে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ভুক্তভোগীরা তাদের হারানো অর্থ ফেরত এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, উন্নত দেশে উচ্চশিক্ষার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করেছে। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাউকে বিদেশে না পাঠিয়ে উল্টো অফিসের কার্যক্রম বন্ধ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আত্মগোপনে চলে যান।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ঝুমা হক বলেন, “বিদেশে যাওয়ার আশায় পরিবারের শেষ সম্বল জমি বন্ধক রেখে ও গয়না বিক্রি করে ২০ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। এখন টাকাও গেছে, পড়ার স্বপ্নও শেষ। আমরা পথে বসে গেছি।” তিনি অভিযোগ করেন, থানায় মামলা করা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা ৪ দফা দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত নিশ্চিত করা, অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং স্টুডেন্ট ভিসা এজেন্সিগুলোর ওপর সরকারি নজরদারি বাড়ানো।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এই প্রতারণার কারণে অনেকের শিক্ষাজীবন থমকে গেছে এবং বহু পরিবার ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। অবিলম্বে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
/

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ‘জাস্ট থট এডুকেশন কনসালট্যান্ট’ (Just Thought Education Consultant)-এর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। আজ রাজধানীর একটি সড়কে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ভুক্তভোগীরা তাদের হারানো অর্থ ফেরত এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, উন্নত দেশে উচ্চশিক্ষার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করেছে। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাউকে বিদেশে না পাঠিয়ে উল্টো অফিসের কার্যক্রম বন্ধ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আত্মগোপনে চলে যান।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ঝুমা হক বলেন, “বিদেশে যাওয়ার আশায় পরিবারের শেষ সম্বল জমি বন্ধক রেখে ও গয়না বিক্রি করে ২০ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। এখন টাকাও গেছে, পড়ার স্বপ্নও শেষ। আমরা পথে বসে গেছি।” তিনি অভিযোগ করেন, থানায় মামলা করা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা ৪ দফা দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত নিশ্চিত করা, অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং স্টুডেন্ট ভিসা এজেন্সিগুলোর ওপর সরকারি নজরদারি বাড়ানো।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এই প্রতারণার কারণে অনেকের শিক্ষাজীবন থমকে গেছে এবং বহু পরিবার ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। অবিলম্বে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
/

আপনার মতামত লিখুন