বিনামূল্যে সরকারি আইনগত সহায়তা সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে সেরা চার জেলার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা লিগ্যাল এইড অফিস। বাংলাদেশ জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা পরিচালিত ‘সচেতনতা কর্মসূচি’ বিষয়ক এক অনলাইন জরিপে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত জরিপের ফলে দেখা গেছে, সরকারি আইনি সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও সেবার প্রসারে ঠাকুরগাঁও ৬৪ জেলার মধ্যে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে। এই তালিকায় প্রথম হয়েছে কক্সবাজার, দ্বিতীয় সুনামগঞ্জ এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে সিরাজগঞ্জ।
দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে আইনি অধিকার সম্পর্কে ধারণা দিতে ঠাকুরগাঁও জেলা লিগ্যাল এইড অফিস নিয়মিত উঠান বৈঠক, সেমিনার ও মতবিনিময় সভা করে আসছে। বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়ন পর্যায়ে তাদের প্রচারণা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
সচেতনতার পাশাপাশি সেবা প্রদানেও বড় সাফল্য দেখিয়েছে এই কার্যালয়। ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত এই দপ্তরে আসা ৮১৪টি আবেদনের মধ্যে ৭১৪টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এই সময়ে প্রায় ৫ হাজার মানুষ সরাসরি আইনি সহায়তা পেয়েছেন। এছাড়া বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) মাধ্যমে গত এক বছরে ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার টাকা আদায় করে ভুক্তভোগীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু ২০২৬ সালের জুন মাসেই আদায় হয়েছে ১০ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।
ঠাকুরগাঁও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিভিল জজ মজনু মিয়া বলেন, “জাতীয় পর্যায়ের এই স্বীকৃতি আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অর্থের অভাবে কোনো মানুষ যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। আগামীতে ঠাকুরগাঁওকে তালিকার শীর্ষে নিয়ে যেতে আমরা নিরলস কাজ করে যাব।”
আইনি সেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে জেলার ৫ টি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে রাষ্ট্রীয় এই সেবা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
/

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
বিনামূল্যে সরকারি আইনগত সহায়তা সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে সেরা চার জেলার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা লিগ্যাল এইড অফিস। বাংলাদেশ জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা পরিচালিত ‘সচেতনতা কর্মসূচি’ বিষয়ক এক অনলাইন জরিপে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত জরিপের ফলে দেখা গেছে, সরকারি আইনি সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও সেবার প্রসারে ঠাকুরগাঁও ৬৪ জেলার মধ্যে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে। এই তালিকায় প্রথম হয়েছে কক্সবাজার, দ্বিতীয় সুনামগঞ্জ এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে সিরাজগঞ্জ।
দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে আইনি অধিকার সম্পর্কে ধারণা দিতে ঠাকুরগাঁও জেলা লিগ্যাল এইড অফিস নিয়মিত উঠান বৈঠক, সেমিনার ও মতবিনিময় সভা করে আসছে। বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়ন পর্যায়ে তাদের প্রচারণা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
সচেতনতার পাশাপাশি সেবা প্রদানেও বড় সাফল্য দেখিয়েছে এই কার্যালয়। ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত এই দপ্তরে আসা ৮১৪টি আবেদনের মধ্যে ৭১৪টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এই সময়ে প্রায় ৫ হাজার মানুষ সরাসরি আইনি সহায়তা পেয়েছেন। এছাড়া বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) মাধ্যমে গত এক বছরে ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার টাকা আদায় করে ভুক্তভোগীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু ২০২৬ সালের জুন মাসেই আদায় হয়েছে ১০ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।
ঠাকুরগাঁও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিভিল জজ মজনু মিয়া বলেন, “জাতীয় পর্যায়ের এই স্বীকৃতি আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অর্থের অভাবে কোনো মানুষ যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হন, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। আগামীতে ঠাকুরগাঁওকে তালিকার শীর্ষে নিয়ে যেতে আমরা নিরলস কাজ করে যাব।”
আইনি সেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে জেলার ৫ টি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে রাষ্ট্রীয় এই সেবা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
/

আপনার মতামত লিখুন