বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ২২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া ও পর্নোগ্রাফি আইনে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে।
আদালতের নথি অনুযায়ী, শিমু একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ জানায়, ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
তদন্তে আরও উঠে আসে, ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু ও ওমর ফারুকের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শিমু বিভিন্ন সময়ে ওমরের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেন। এর মধ্যে জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচ বাবদ মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা রয়েছে।
পরে বিয়ে না করায় ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। সেই মামলার দায় এড়াতে শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে মিথ্যা মামলা করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা করেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দেন।
গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ২২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া ও পর্নোগ্রাফি আইনে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে।
আদালতের নথি অনুযায়ী, শিমু একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ জানায়, ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
তদন্তে আরও উঠে আসে, ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু ও ওমর ফারুকের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শিমু বিভিন্ন সময়ে ওমরের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেন। এর মধ্যে জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচ বাবদ মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা রয়েছে।
পরে বিয়ে না করায় ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। সেই মামলার দায় এড়াতে শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে মিথ্যা মামলা করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা করেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দেন।
গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন