হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় জুলেখা বেগম (২৫) নামে ৪ মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের বাজারছড়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত জুলেখা বেগম ওই গ্রামের আব্দুল আউয়াল মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই দম্পতির মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে মোবাইল রিচার্জ করাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরিবারের দাবি, এর জেরে সবার অগোচরে বাড়ির গোয়ালঘরে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস দেন জুলেখা। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তিনি তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে বিকেল তিনটার দিকে ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মঞ্জুরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
/

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় জুলেখা বেগম (২৫) নামে ৪ মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের বাজারছড়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত জুলেখা বেগম ওই গ্রামের আব্দুল আউয়াল মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই দম্পতির মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে মোবাইল রিচার্জ করাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরিবারের দাবি, এর জেরে সবার অগোচরে বাড়ির গোয়ালঘরে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস দেন জুলেখা। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তিনি তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে বিকেল তিনটার দিকে ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মঞ্জুরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
/

আপনার মতামত লিখুন