কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগে এক রোগীর নষ্ট দাঁতের পরিবর্তে সুস্থ দাঁত তুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎসায় চরম অবহেলা, অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকের অনুপস্থিতি এবং চিকিৎসা-নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে ভুক্তভোগীর পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে।
ভুক্তভোগী আনোয়ারা খাতুন (৬০) কুষ্টিয়া শহরের বাসিন্দা। তার ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান কাজল।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই দাঁতের ব্যথা নিয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে যান আনোয়ারা খাতুন। সেখানে সহকারী ডেন্টাল সার্জন ডা. শারমিন জাহান পরীক্ষা শেষে জানান, একটি দাঁতে বড় ধরনের ক্ষয় (ক্যাভিটি) থাকায় সেটি ফেলে দিতে হবে। সেই অনুযায়ী ১২ জুলাই দাঁত তোলার দিন ধার্য করা হয়।
নির্ধারিত দিনে অস্ত্রোপচারের পরও আনোয়ারা খাতুনের ব্যথা না কমে বরং আরও তীব্র হয়। দুই দিন পর অন্য একজন দন্ত চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি জানান, আক্রান্ত দাঁতটি আগের মতোই আছে, বরং তার পাশের একটি সুস্থ দাঁত তুলে ফেলা হয়েছে।
আসাদুজ্জামান কাজল অভিযোগ করেন, দাঁত অপসারণের দিন ওই কক্ষের দায়িত্বে ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. চন্দন কুমার পাল। কিন্তু তিনি নিজে উপস্থিত না থেকে তার সহকারীকে দিয়ে দাঁত তোলান। তিনি বলেন, “আমি বিষয়টি নিয়ে কথা বললে ডা. চন্দন বলেন, কোনো সমস্যা নেই, আমার সহকারীই করতে পারবে। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়েও যদি আমি এমন পরিস্থিতির শিকার হই, তবে সাধারণ মানুষ কী সেবা পাচ্ছে, তা সহজেই অনুমেয়।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. চন্দন কুমার পাল কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেননি। তিনি বলেন, “রোগীকে আগামী শনিবার নিয়ে আসতে বলুন, দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
/

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগে এক রোগীর নষ্ট দাঁতের পরিবর্তে সুস্থ দাঁত তুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎসায় চরম অবহেলা, অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকের অনুপস্থিতি এবং চিকিৎসা-নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে ভুক্তভোগীর পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে।
ভুক্তভোগী আনোয়ারা খাতুন (৬০) কুষ্টিয়া শহরের বাসিন্দা। তার ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান কাজল।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই দাঁতের ব্যথা নিয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে যান আনোয়ারা খাতুন। সেখানে সহকারী ডেন্টাল সার্জন ডা. শারমিন জাহান পরীক্ষা শেষে জানান, একটি দাঁতে বড় ধরনের ক্ষয় (ক্যাভিটি) থাকায় সেটি ফেলে দিতে হবে। সেই অনুযায়ী ১২ জুলাই দাঁত তোলার দিন ধার্য করা হয়।
নির্ধারিত দিনে অস্ত্রোপচারের পরও আনোয়ারা খাতুনের ব্যথা না কমে বরং আরও তীব্র হয়। দুই দিন পর অন্য একজন দন্ত চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি জানান, আক্রান্ত দাঁতটি আগের মতোই আছে, বরং তার পাশের একটি সুস্থ দাঁত তুলে ফেলা হয়েছে।
আসাদুজ্জামান কাজল অভিযোগ করেন, দাঁত অপসারণের দিন ওই কক্ষের দায়িত্বে ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. চন্দন কুমার পাল। কিন্তু তিনি নিজে উপস্থিত না থেকে তার সহকারীকে দিয়ে দাঁত তোলান। তিনি বলেন, “আমি বিষয়টি নিয়ে কথা বললে ডা. চন্দন বলেন, কোনো সমস্যা নেই, আমার সহকারীই করতে পারবে। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়েও যদি আমি এমন পরিস্থিতির শিকার হই, তবে সাধারণ মানুষ কী সেবা পাচ্ছে, তা সহজেই অনুমেয়।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. চন্দন কুমার পাল কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেননি। তিনি বলেন, “রোগীকে আগামী শনিবার নিয়ে আসতে বলুন, দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
/

আপনার মতামত লিখুন