আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে একাধিক স্বীকৃতি অর্জনের পর এবার বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু করেছে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি নির্মাতা মো. আরমান আলীর আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রজেক্ট ‘শেডস অব স্যাডনেস’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান ফিল্মহাব–এর মাধ্যমে ছবিটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মুক্তি নিশ্চিত হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘রিলে’ তে ছবিটি স্ট্রিমিং হচ্ছে।
বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল
প্ল্যাটফর্মে ছবিটির বিস্তারের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক ওটিটি নেটওয়ার্ক ফিল্মজি–র সঙ্গে
আনুষ্ঠানিক লাইসেন্সিং সম্পন্ন হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই প্ল্যাটফর্মটিতে
ছবিটি মুক্তি পাবে। পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইম
ভিডিও এবং রিডিস্কোভার টেলিভিশন–এ বাণিজ্যিক সম্প্রচারের জন্য ছবিটি বর্তমানে মূল্যায়ন
ও পিচিং পর্যায়ে রয়েছে।
প্রচলিত চলচ্চিত্রের
গণ্ডি পেরিয়ে ‘শেডস অব স্যাডনেস’ নির্মিত হয়েছে একটি আবেগঘন ভিডিও ডায়েরি প্রজেক্ট
হিসেবে। এতে বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির মানুষের একাকীত্ব, গভীর শোক, মানসিক অবসাদ এবং
সেই সংকট অতিক্রম করে বেঁচে থাকার মনস্তাত্ত্বিক সংগ্রামের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের
ক্যান্টারবারি ক্রাইস্ট চার্চ ইউনিভার্সিটি থেকে চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যম নির্মাণ বিষয়ে
স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা নির্মাতা আরমান আলীর এই প্রজেক্ট ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে
প্রশংসিত হয়েছে। এটি সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল–এ সেরা প্রামাণ্যচিত্র
পুরস্কার এবং স্টকহোম সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল– এ বিশেষ সম্মাননা অর্জন করেছে।
ছবিটি নিয়ে আরমান আলী বলেন, “একটি সঠিক বাণিজ্যিক মুক্তির জন্য আমি কিছুদিন অপেক্ষা করছিলাম। এটি প্রচলিত সিনেমার চেয়ে মানুষের ভেতরের অব্যক্ত অনুভূতির একটি ভিডিও ডায়েরি। এখন এটি ‘রিলে’-তে স্ট্রিমিং হচ্ছে, ‘ফিল্মজি’-তে লাইসেন্সড হয়েছে এবং অ্যামাজন প্রাইমের মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে মূল্যায়নের অধীনে রয়েছে। এটি প্রমাণ করে, মানুষের জীবনের সত্য গল্পের আবেদন বিশ্বজনীন।” বাংলাদেশের স্বাধীন চলচ্চিত্র হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিনিধিত্ব করা ‘শেডস অব স্যাডনেস’ বর্তমানে ‘রিলে’ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি বৈশ্বিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তির প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে একাধিক স্বীকৃতি অর্জনের পর এবার বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু করেছে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি নির্মাতা মো. আরমান আলীর আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রজেক্ট ‘শেডস অব স্যাডনেস’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান ফিল্মহাব–এর মাধ্যমে ছবিটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মুক্তি নিশ্চিত হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘রিলে’ তে ছবিটি স্ট্রিমিং হচ্ছে।
বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল
প্ল্যাটফর্মে ছবিটির বিস্তারের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক ওটিটি নেটওয়ার্ক ফিল্মজি–র সঙ্গে
আনুষ্ঠানিক লাইসেন্সিং সম্পন্ন হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই প্ল্যাটফর্মটিতে
ছবিটি মুক্তি পাবে। পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইম
ভিডিও এবং রিডিস্কোভার টেলিভিশন–এ বাণিজ্যিক সম্প্রচারের জন্য ছবিটি বর্তমানে মূল্যায়ন
ও পিচিং পর্যায়ে রয়েছে।
প্রচলিত চলচ্চিত্রের
গণ্ডি পেরিয়ে ‘শেডস অব স্যাডনেস’ নির্মিত হয়েছে একটি আবেগঘন ভিডিও ডায়েরি প্রজেক্ট
হিসেবে। এতে বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির মানুষের একাকীত্ব, গভীর শোক, মানসিক অবসাদ এবং
সেই সংকট অতিক্রম করে বেঁচে থাকার মনস্তাত্ত্বিক সংগ্রামের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের
ক্যান্টারবারি ক্রাইস্ট চার্চ ইউনিভার্সিটি থেকে চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যম নির্মাণ বিষয়ে
স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা নির্মাতা আরমান আলীর এই প্রজেক্ট ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে
প্রশংসিত হয়েছে। এটি সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল–এ সেরা প্রামাণ্যচিত্র
পুরস্কার এবং স্টকহোম সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল– এ বিশেষ সম্মাননা অর্জন করেছে।
ছবিটি নিয়ে আরমান আলী বলেন, “একটি সঠিক বাণিজ্যিক মুক্তির জন্য আমি কিছুদিন অপেক্ষা করছিলাম। এটি প্রচলিত সিনেমার চেয়ে মানুষের ভেতরের অব্যক্ত অনুভূতির একটি ভিডিও ডায়েরি। এখন এটি ‘রিলে’-তে স্ট্রিমিং হচ্ছে, ‘ফিল্মজি’-তে লাইসেন্সড হয়েছে এবং অ্যামাজন প্রাইমের মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে মূল্যায়নের অধীনে রয়েছে। এটি প্রমাণ করে, মানুষের জীবনের সত্য গল্পের আবেদন বিশ্বজনীন।” বাংলাদেশের স্বাধীন চলচ্চিত্র হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিনিধিত্ব করা ‘শেডস অব স্যাডনেস’ বর্তমানে ‘রিলে’ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি বৈশ্বিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তির প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে।

আপনার মতামত লিখুন