সংবাদ

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাস্কর্য ভাঙা স্থগিত, সিদ্ধান্ত বুধবার


ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাস্কর্য ভাঙা স্থগিত, সিদ্ধান্ত বুধবার
ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে নির্মিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর ও ভাস্কর্য

জাতির ৭ সূর্য সন্তানের মধ্যে অন্যতম শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমান। স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পান তিনি। ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে নির্মিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর ও ভাস্কর্য ভাঙার কাজ গত ১৩ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত চলছিল। তবে কার নির্দেশে এবং কী কারণে এটি অপসারণ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি প্রশাসন, পৌরসভা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

চত্বরটি ভাঙা নিয়ে গত ১৬ জুলাই থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে শনিবার থেকে ভাঙার কাজ বন্ধ রয়েছে।

এদিকে রোববার (১৯ জুলাই) জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে এক সভায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বরের ভাস্কর্য ভাঙার কাজ আপাতত স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভাস্কর্যটি পুনর্নির্মাণ করা হবে, নাকি অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে- সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামী বুধবার (২২ জুলাই)।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বলেন, সংবাদ প্রকাশের আগে আমি জানতাম না এটা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর বা ভাস্কর্য। আকার-আকৃতি দেখেও বোঝার উপায় ছিল না। চত্বরটি নির্মাণকাজ শুরুর পরপরই স্থানীয়দের আপত্তির মুখে কাজ স্থগিত রাখা হয় বলে জানতে পেরেছি। তবে ভাস্কর্যটি বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের, এটা জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি ভাঙার কাজ স্থগিত করেছি।

এ বিষয়ে কোনো তদন্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অতীতের কোনো কথাতে আর যেতে চাই না, এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্যও করব না। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ঝিনাইদহের শ্রেষ্ঠ সন্তান, তিনি সারা দেশের গর্ব। 

ডিসি আরও বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা ও বীরশ্রেষ্ঠ নামে ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। এই বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামী বুধবার। সেখানে মুক্তিযোদ্ধা, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পরিবারসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মতামত নেওয়া হবে। কোন জায়গায় এটি নির্মিত হবে, তা নিয়েও আলোচনা হবে’।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বরে সরেজমিনে রোববার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, ভাস্কর্যটির বিভিন্ন অংশ ভাঙা। বেদির ভাঙা অংশ থেকে ঢালাইয়ের লোহা বের হয়ে আছে। এদিন সেখানে কোনো শ্রমিককে কাজ করতে দেখা যায়নি।

ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এটি অপসারণের আগে আমার দপ্তরের সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেনি। ২০১৯ সালে জেলা পরিষদ ও ঝিনাইদহ পৌরসভার উদ্যোগে এ জায়গায় চত্বরটি স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয় এবং পরবর্তীতে কাজও শুরু হয়। এখন জায়গাটি চলমান ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক উন্নয়নকাজের আওতায় চলে যাবে।

ঝিনাইদহ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ আলী খান বলেন, গতকাল (শনিবার) থেকে ভাঙার কাজ বন্ধ রয়েছে। তবে ঝিনাইদহ পৌরসভা ভাঙার কাজ করেনি।

এ বিষয়ে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে মো. রাশেদ আলী খান বলেন, জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে। তবে কারা ভাঙার কাজ করেছে, তা জানা এখনো সম্ভব হয়নি।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাতিজা হাফিজুর রহমান বলেন, ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তৎকালীন ঝিনাইদহ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। আমরা সেদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম।

হাফিজুর রহমান বলেন, ‘এটা আমার চাচা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য। এটি ভেঙে ফেলে ধ্বংসাত্মক কাজ করা হয়েছে। আমাদের জানানো হয়েছে, ভাস্কর্যটি ঝিনাইদহ জেলা শহরের শহীদ মিনারের পাশের গোলচত্বরে স্থাপন করা হবে। কিন্তু সেখানে আগে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ছিল। সরকার পরিবর্তনের পর সেটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। ’

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাতিজা আরও বলেন, সেই স্থানে আমার চাচা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপন করা হলে ভবিষ্যতে আবারও আঘাতের শঙ্কা থাকবে। আমরা এটি মেনে নেব না। পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা চাই, যথাযথ মর্যাদায় ভাস্কর্যটি সংস্কার করে একই স্থানে পুনঃস্থাপন করা হোক।

ঝিনাইদহ পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের দিকে পৌরসভার উদ্যোগে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ঝিনাইদহ-যশোর, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা লিংক সড়কে ৩০ ফুট উচ্চতা ও ১০ ফুট প্রস্থের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হয়। 

কয়েক বছর পার হলেও অজ্ঞাত কারণে ভাস্কর্যটির সম্পূর্ণ কাজ শেষ করা হয়নি।  এর মধ্যে দুই দফা মেয়র পরিবর্তন ও দুই দফা প্রশাসক নিয়োগ হলেও চত্বরের কাজ শেষ হয়নি। কাজ শেষ না হওয়ায় ভাস্কর্যের সম্পূর্ণ আকৃতিও ছিল না। দীর্ঘদিন অবহেলায় ফেলে রাখায় চত্বরে সৌন্দর্যবর্ধনের গাছের পরিবর্তে আগাছা জন্মায়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ২০১২ সালে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুল করিম মিন্টু পৌরসভার মেয়র থাকাকালে ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৩২ লাখ টাকা। ২০২৪ সালের সরকার পতনের পর বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের এ ভাস্কর্যটি হামলার শিকার হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬


বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাস্কর্য ভাঙা স্থগিত, সিদ্ধান্ত বুধবার

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

জাতির ৭ সূর্য সন্তানের মধ্যে অন্যতম শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমান। স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পান তিনি। ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে নির্মিত বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর ও ভাস্কর্য ভাঙার কাজ গত ১৩ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত চলছিল। তবে কার নির্দেশে এবং কী কারণে এটি অপসারণ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি প্রশাসন, পৌরসভা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

চত্বরটি ভাঙা নিয়ে গত ১৬ জুলাই থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে শনিবার থেকে ভাঙার কাজ বন্ধ রয়েছে।

এদিকে রোববার (১৯ জুলাই) জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে এক সভায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বরের ভাস্কর্য ভাঙার কাজ আপাতত স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভাস্কর্যটি পুনর্নির্মাণ করা হবে, নাকি অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে- সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামী বুধবার (২২ জুলাই)।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বলেন, সংবাদ প্রকাশের আগে আমি জানতাম না এটা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর বা ভাস্কর্য। আকার-আকৃতি দেখেও বোঝার উপায় ছিল না। চত্বরটি নির্মাণকাজ শুরুর পরপরই স্থানীয়দের আপত্তির মুখে কাজ স্থগিত রাখা হয় বলে জানতে পেরেছি। তবে ভাস্কর্যটি বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের, এটা জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি ভাঙার কাজ স্থগিত করেছি।

এ বিষয়ে কোনো তদন্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অতীতের কোনো কথাতে আর যেতে চাই না, এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্যও করব না। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ঝিনাইদহের শ্রেষ্ঠ সন্তান, তিনি সারা দেশের গর্ব। 

ডিসি আরও বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা ও বীরশ্রেষ্ঠ নামে ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। এই বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামী বুধবার। সেখানে মুক্তিযোদ্ধা, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পরিবারসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মতামত নেওয়া হবে। কোন জায়গায় এটি নির্মিত হবে, তা নিয়েও আলোচনা হবে’।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বরে সরেজমিনে রোববার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, ভাস্কর্যটির বিভিন্ন অংশ ভাঙা। বেদির ভাঙা অংশ থেকে ঢালাইয়ের লোহা বের হয়ে আছে। এদিন সেখানে কোনো শ্রমিককে কাজ করতে দেখা যায়নি।

ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এটি অপসারণের আগে আমার দপ্তরের সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেনি। ২০১৯ সালে জেলা পরিষদ ও ঝিনাইদহ পৌরসভার উদ্যোগে এ জায়গায় চত্বরটি স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয় এবং পরবর্তীতে কাজও শুরু হয়। এখন জায়গাটি চলমান ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক উন্নয়নকাজের আওতায় চলে যাবে।

ঝিনাইদহ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ আলী খান বলেন, গতকাল (শনিবার) থেকে ভাঙার কাজ বন্ধ রয়েছে। তবে ঝিনাইদহ পৌরসভা ভাঙার কাজ করেনি।

এ বিষয়ে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে মো. রাশেদ আলী খান বলেন, জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে। তবে কারা ভাঙার কাজ করেছে, তা জানা এখনো সম্ভব হয়নি।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাতিজা হাফিজুর রহমান বলেন, ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তৎকালীন ঝিনাইদহ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। আমরা সেদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম।

হাফিজুর রহমান বলেন, ‘এটা আমার চাচা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য। এটি ভেঙে ফেলে ধ্বংসাত্মক কাজ করা হয়েছে। আমাদের জানানো হয়েছে, ভাস্কর্যটি ঝিনাইদহ জেলা শহরের শহীদ মিনারের পাশের গোলচত্বরে স্থাপন করা হবে। কিন্তু সেখানে আগে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ছিল। সরকার পরিবর্তনের পর সেটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। ’

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাতিজা আরও বলেন, সেই স্থানে আমার চাচা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপন করা হলে ভবিষ্যতে আবারও আঘাতের শঙ্কা থাকবে। আমরা এটি মেনে নেব না। পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা চাই, যথাযথ মর্যাদায় ভাস্কর্যটি সংস্কার করে একই স্থানে পুনঃস্থাপন করা হোক।

ঝিনাইদহ পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের দিকে পৌরসভার উদ্যোগে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ঝিনাইদহ-যশোর, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা লিংক সড়কে ৩০ ফুট উচ্চতা ও ১০ ফুট প্রস্থের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হয়। 

কয়েক বছর পার হলেও অজ্ঞাত কারণে ভাস্কর্যটির সম্পূর্ণ কাজ শেষ করা হয়নি।  এর মধ্যে দুই দফা মেয়র পরিবর্তন ও দুই দফা প্রশাসক নিয়োগ হলেও চত্বরের কাজ শেষ হয়নি। কাজ শেষ না হওয়ায় ভাস্কর্যের সম্পূর্ণ আকৃতিও ছিল না। দীর্ঘদিন অবহেলায় ফেলে রাখায় চত্বরে সৌন্দর্যবর্ধনের গাছের পরিবর্তে আগাছা জন্মায়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ২০১২ সালে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুল করিম মিন্টু পৌরসভার মেয়র থাকাকালে ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বর’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৩২ লাখ টাকা। ২০২৪ সালের সরকার পতনের পর বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের এ ভাস্কর্যটি হামলার শিকার হয়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত