সংবাদ

সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে নেয়ার আবেদন


দীপক মুখার্জী, কলকাতা
দীপক মুখার্জী, কলকাতা
প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৮ এএম

সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে নেয়ার আবেদন

টানা ২১ দিনের অনশন কর্মসূচির পর সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুককে বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের আবেদন জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁর স্ত্রী ডা. গীতাঞ্জলি আংমো। তবে রবিবার বিশেষ শুনানিতে আদালত আপাতত সেই আবেদন মঞ্জুর করেনি। আদালতের নির্দেশ, পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ওয়াংচুকের চিকিৎসা সফদরজং হাসপাতালেই চলবে।

গীতাঞ্জলি আংমোর অভিযোগ, যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ অনশনরত সোনম ওয়াংচুককে চিকিৎসার অজুহাতে জোর করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং কার্যত তাঁকে আটকে রাখা হয়েছে। তাঁর দাবি, পরিবারের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দিচ্ছে না এবং অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতিও দিচ্ছে না। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হাসপাতাল চত্বরে বিপুল পুলিশ মোতায়েন থাকায় ওয়াংচুক কার্যত নজরবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।

সামাজিক মাধ্যমে গীতাঞ্জলি জানান, সফদরজং হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর তাঁর আস্থা নেই। তাঁর অভিযোগ, ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে হাসপাতালের দেওয়া তথ্য, বিশেষ করে পটাশিয়ামের মাত্রা নিয়ে, অসঙ্গতি রয়েছে এবং পরিবারের কাছে পর্যাপ্ত চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্যও তুলে ধরা হচ্ছে না।

অন্যদিকে, হাসপাতাল ও সরকারি সূত্রের দাবি, দীর্ঘ অনশনের কারণে ওয়াংচুকের শরীরে পানিশূন্যতা ও ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং এই মুহূর্তে তাঁকে অন্যত্র স্থানান্তর করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

শুনানিতে দিল্লি হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ করে যে, ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতির প্রেক্ষিতে সরকার তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এই পর্যায়ে সেই সিদ্ধান্তকে স্বেচ্ছাচারী বলা যায় না। আদালত তিন দিনের মধ্যে তাঁর সর্বশেষ স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানিতে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বিবেচনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে নেয়ার আবেদন

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬

featured Image

টানা ২১ দিনের অনশন কর্মসূচির পর সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুককে বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের আবেদন জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁর স্ত্রী ডা. গীতাঞ্জলি আংমো। তবে রবিবার বিশেষ শুনানিতে আদালত আপাতত সেই আবেদন মঞ্জুর করেনি। আদালতের নির্দেশ, পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ওয়াংচুকের চিকিৎসা সফদরজং হাসপাতালেই চলবে।

গীতাঞ্জলি আংমোর অভিযোগ, যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ অনশনরত সোনম ওয়াংচুককে চিকিৎসার অজুহাতে জোর করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং কার্যত তাঁকে আটকে রাখা হয়েছে। তাঁর দাবি, পরিবারের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দিচ্ছে না এবং অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতিও দিচ্ছে না। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হাসপাতাল চত্বরে বিপুল পুলিশ মোতায়েন থাকায় ওয়াংচুক কার্যত নজরবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।

সামাজিক মাধ্যমে গীতাঞ্জলি জানান, সফদরজং হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর তাঁর আস্থা নেই। তাঁর অভিযোগ, ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে হাসপাতালের দেওয়া তথ্য, বিশেষ করে পটাশিয়ামের মাত্রা নিয়ে, অসঙ্গতি রয়েছে এবং পরিবারের কাছে পর্যাপ্ত চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্যও তুলে ধরা হচ্ছে না।

অন্যদিকে, হাসপাতাল ও সরকারি সূত্রের দাবি, দীর্ঘ অনশনের কারণে ওয়াংচুকের শরীরে পানিশূন্যতা ও ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং এই মুহূর্তে তাঁকে অন্যত্র স্থানান্তর করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

শুনানিতে দিল্লি হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ করে যে, ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতির প্রেক্ষিতে সরকার তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং এই পর্যায়ে সেই সিদ্ধান্তকে স্বেচ্ছাচারী বলা যায় না। আদালত তিন দিনের মধ্যে তাঁর সর্বশেষ স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানিতে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বিবেচনা করা হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত